
জয়া আহসানতারকাদের নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। তাঁদের জীবনে কখন কী ঘটছে, তা নিয়ে সকলের মধ্যে থাকে বাড়তি কৌতূহল। বিশেষত তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন অনেকের নজর থাকে। কে কার সঙ্গে কোথায় যাচ্ছেন, কার সঙ্গে কার ডেটিং, প্রেম থেকে বিয়ে, সবই থাকে অনুগামীদের স্ক্যানারে। এপার ও ওপার দুই বাংলার ছবিতেই নিজের অভিনয় দক্ষতার জন্যে, দর্শকের একেবারে মনের কাছের হয়ে উঠেছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান। ছবি ও চরিত্র বেছে নেওয়াতেও থাকে নতুনত্ব। বারে বারে ভিন্ন স্বাদ দর্শকদের সামনে পরিবেশন করেছেন নায়িকা। সোশ্যাল মিডিয়ায় নজর রাখলেই বোঝা যায়, জয়ার বিয়ে, বিচ্ছেদ থেকে প্রেম, সবই বারবার চর্চায় এসেছে।

জয়া আহসানের বিয়ে
এখন তিনি জয়া আহসান। তবে বিয়ের আগে ছিলেন জয়া মাসুদ। ১৯৯৮ সালের ১৪ মে ঢাকার জমিদার পরিবারের ছেলে ফয়সাল আহসানের সঙ্গে বিয়ে করেন জয়া। একসঙ্গে বহু বিজ্ঞাপনেও কাজ করেছেন জয়া- ফয়সাল। জুটিতে তৈরি করেছিলেন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি। শুরুটা বেশ ভাল হলেও, পরবর্তী সময় দু'জনের মতবিরোধ শুরু হয়। বিয়ের প্রায় ১৩ বছর পরে, ২০১১ সাল নাগাদ বিচ্ছেদ হয় তাঁদের।

জয়া আহসানের প্রাক্তন স্বামী
জয়া আহসানের প্রাক্তন স্বামী ফয়সাল, বাংলাদেশে খ্যাতনামা মডেল ও অভিনেতা। ফয়সাল রুপোলি পর্দার সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়েছেন ধীরে ধীরে। বিচ্ছেদের পরেও, পরস্পরকে নিয়ে কখনও নেতিবাচক মন্তব্য করেননি প্রাক্তন এই দম্পতি।
'আহসান' পদবী
বিবাহ বিচ্ছেদ হলেও, নিজের নামের পাশ থেকে স্বামীর পদবি সরাননি জয়া। এখনও 'আহসান' পদবী ব্যবহার করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছিলেন, "যাঁর নাম গ্রহণ করেছি সে কি আপত্তি জানিয়েছে? আর জয়া আহসান নামটা বর্তমানে একটা ব্র্যান্ড। তাই দর্শককে বিভ্রান্ত করার কোনও মানে হয় না। আমার জীবনের বিষয়গুলো এত ঠুনকো নয়। আহসান থেকে মাসুদে ফিরলেই সব ঠিক হয়ে যাবে, এমনটা নয়।"

জয়া আহসানের নতুন প্রেমিক
দুই বাংলাতেই জয়া আহসানের অনুগামীদের সংখ্যা বিপুল। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জয়া জানিয়েছেন, তিনি প্রেম করছেন। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছিলেন, 'হ্যাঁ, আমার জীবনেও কেউ আছে। মানুষ তো একা থাকতে পারে না। আমরা অনেক দিন ধরেই একসঙ্গে আছি। অবশ্যই সেটা বহু বছর। তবে উনি শোবিজ ইন্ডাস্ট্রির কেউ নন। আমার মনে হয়, পার্টনার হওয়ার আগে বন্ধু হওয়াটা খুব জরুরি। সারা জীবন যেন বন্ধু হয়ে থাকতে পারি, সেটা অনেক বড় বিষয়। আমার অনেক অত্যাচার সহ্য করেন তিনি। অভিনয়শিল্পী হওয়ার সুবাদে আমি এত ট্রাভেল করি! এই যে কলকাতায় পড়ে আছি, কাজ করছি। তিনি এসবে কিছুই মনে করেন না। আমাকে কাজ করতে দিচ্ছেন। এটা কিন্তু বড় বিষয়।"
অভিনেত্রী আরও বলেন, "আমরা নিজেদের মতো থাকতে পছন্দ করি। উনি খুব শান্ত, আমিও তেমনি। এ কারণেই তাঁর প্রতি অ্যাট্রাকশন তৈরি হয়েছে। বিয়ে করে একসঙ্গে থাকার বিষয়টাকে আমি শ্রদ্ধা করি। কিন্তু এখনই তেমন ইচ্ছা বা পরিকল্পনা নেই। বিয়ে নিয়ে আমার মধ্যে কিছুটা ভয়ও আছে, হয়তো আগের অভিজ্ঞতার কারণে।"