ফের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ভূমিকম্পমঙ্গলবার সাতসকালে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ভারত সংলগ্ন বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকা। মাত্র ৯ দিনের মধ্যে ফের ভূমিকম্প অনুভূত হল বাংলাদেশে। NSC-এর দেওয়া তথ্য অনুসারে ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১৫০ কিমি গভীরে ছিল এই কম্পনের উৎসস্থল। ভোর ৪টে ৬ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী ৪টে ৩৬ মিনিট) এই কম্পন অনুভূত হয়।
রিখটার স্কেলে মাত্রা কত?
ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি-র দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪.১। মূলত ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে বাংলাদেশের সাতক্ষীরার কলারোয়া এলাকায়। এই জায়গাটি ঢাকা থেকে ১৭৯ কিমি দূরে। অন্যদিকে, দুর্গাপুর থেকে ১৮৯ কিমি দূরে।
বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পে এখনও কোনও ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। খুব ভোরের দিকে মাটি কেঁপে ওঠায় অধিকাংশ মানুষই তখন ঘুমিয়ে ছিল, ফলে অনেকেই কম্পন টের পর্যন্ত পাননি।
উল্লেখ্য বিষয় হল, মাটির কম্পনের মাত্রা যদি ৩ থেকে ৩.৯-এর মধ্যে থাকে, সেটিকে মৃদু কম্পন হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। যদি কম্পনমাত্রা ৩-এর নীচে হয়, তা হলে সেটিকে অতি মৃদু হিসাবে ধরা হয়। ভূমিকম্পের মাত্রা যদি ৪-এর নীচে থাকে, তা হলে সেটি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার তেমন কারণ থাকে না।
উল্লেখ্য বিষয় হল, এর আগে ২৫ জানুয়ারি রবিবার সাতসকালে কেঁপে উঠেছিল উত্তর দিনাজপুর ও বাংলাদেশ সীমান্ত। বাংলাদেশের উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের থেকে ৩৩ কিলোমিটার দূরে ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে মাটি। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.৪।
অন্যদিকে, ওই দিনই বেলা ১১টা নাগাদ আবার কম্পন অনুভূত হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ-ভুটান সীমান্তেও। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি-র দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেই কম্পনের উৎসস্থল ছিল মাটি থেকে ১০ কিমি গভীরে। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা মাত্রা মাত্র ২.৮। ঘটনার মাত্র ৯ দিন পর আরও একবার কেঁপে উঠল ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত।