
FBI -এর হাতে গ্রেফতার বাংলাদেশি যুবক অনলাইনে চাইল্ড পর্নোগ্রাফিকের আন্তর্জাতিক চক্র পরিচালনার অভিযোগে গ্রেফতার বাংলাদেশি যুবক। অভিযুক্তের নাম জোবায়দুল আমিন। তাকে মালয়েশিয়া থেকে গ্রেফতার করে আলাস্কায় এনেছে FBI।
আমেরিকার প্রসিকিউটরদের দফতর জানিয়েছে, ২০২৬ সালের ৪ মার্চ মার্কিন ফেডারেল তদন্ত সংস্থা এফবিআই মালয়েশিয়া থেকে আমিনকে হেফাজতে নিয়ে আমেরিকায় নিয়ে আসে।
আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের জুলাই মাসে আলাস্কার একটি ফেডারেল গ্র্যান্ড জুরি জোবায়দুল আমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। সেখানে বলা হয়, অভিযুক্ত আলাস্কাসহ আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য এবং বিদেশের শতাধিক নাবালক-নাবালিকার উপর অনলাইন পর্নোগ্রাফিক ভিডিও চক্র পরিচালনা করত।
তদন্তকারীদের দাবি, আমিন বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে নাবালক-নাবালিকাদের টার্গেট করত। ইনস্টাগ্রাম ও স্ন্যাপচ্যাটের মতো প্ল্যাটফর্মে ভুয়ো পরিচয়ে কিশোর-কিশোরীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের ভয় দেখিয়ে ভিডিও পাঠাতে বাধ্য করত।
আমেরিকার প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই মামলার তদন্তে এফবিআই এবং আমেরিকার বিচার বিভাগ মালয়েশিয়ার আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে। অভিযোগ ওঠার সময় থেকে আমিন এবং সেখানে একটি মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা করছিলেন।

মালয়েশিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেলের চেম্বার ২০২২ সালেই তার বিরুদ্ধে শিশু পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত ১৩টি অভিযোগ আনে। এরপর দুই দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার যৌথ উদ্যোগে তাকে আমেরিকায় পাঠানো হয়, যাতে সেখানে বিচার প্রক্রিয়া চালানো যায়।
এদিকে এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে কয়েকটি ছবি শেয়ার করেছেন, যেখানে দেখা যায় তিনজন এফবিআই এজেন্ট ওই বাংলাদেশিকে রানওয়ে দিয়ে একটি উড়োজাহাজের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। কাশ প্যাটেল জানান, ২০২২ সাল থেকে বিভিন্ন অভিযোগে জোবাইদুলকে খোঁজা হচ্ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, জোবাইদুল একটি আন্তর্জাতিক শিশু যৌন নির্যাতন অপরাধচক্র পরিচালনার সঙ্গে জড়িত ছিল।
এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল তদন্তে সহায়তার জন্য মালয়েশিয়া সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, 'এই মামলায় এফবিআই অ্যাঙ্কোরেজ অফিসের কর্মকর্তারাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এ ঘটনায় আরও বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।'