
ইরানে আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানে কার্যত জনজোয়ার। ইরান থেকে আসা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, শেষকৃত্যের এই অনুষ্ঠান ঘিরে রাস্তায় থিক থিক করছে ভিড়। (ছবি সৌজন্যে AFP)

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় ইরানের এই নেতার। এরপর প্রায় চার মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পর সমাধিস্থ করা হচ্ছে খামেনেইকে।(ছবি সৌজন্যে AFP)

শেষযাত্রায় খামেনেইকে শ্রদ্ধা জানাতে ভিড় করছেন কাতারে কাতারে মানুষ। বুক চাপড়ে, মাথা ঠুকে কান্নায় ভেঙে পড়তেও দেখা গিয়েছে বহু মানুষকে। (ছবি সৌজন্যে AFP)

মহিলা থেকে বৃদ্ধ, কিশোর-কিশোরী থেকে শুরু করে শক্ত-সমর্থ যুবকদেরও এদিন রীতিমতো কাঁদতে দেখা যায়। রাস্তায় নেমে ট্রাম্প বিরোধী শ্লোগান দিচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। (ছবি সৌজন্যে AFP)

খামেনেইয়ের শেষযাত্রা উপলক্ষে বাগদাদ শহর সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। গত শনিবার থেকে শুরু হয়ে আজ পর্যন্ত চলছে ইরানের প্রিয় নেতাকে শ্রদ্ধা জানানো প্রক্রিয়া। (ছবি সৌজন্যে PTI)

আজও তেহরানে রাখা থাকবে খামেনেইয়ের দেহ। মঙ্গলবার কুমে নিয়ে যাওয়া হবে কফিনগুলি। বুধবার ইরাকের বিভিন্ন শহরে নিয়ে যাওয়া হবে। বৃহস্পতিবার খামেনেইয়ের নিজের শহর, উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশাদে হবে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। সেখানেই সমাধিস্থ করা হবে খামেনেই ও তাঁর পরিবারের নিহত সদস্যদের। (ছবি সৌজন্যে PTI)

রবিবার খামনেইকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন তাঁর পুত্ররাও। প্রার্থনা কর্মসূচিতে বাবার কফিনের পাশেই তিন পুত্র মোস্তফা, মেসাম, মাসুদ খামেনেইকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু মোজতবা খামেনেইকে দেখা যায়নি। (ছবি সৌজন্যে - রয়টার্স)

খামেনইয়ের শেষ যাত্রায় নজর কেড়েছেন মজিয়া নামের এক ইরানি মহিলা। এই শেষকৃত্যে অংশ নিতে ব্রিটেন থেকে উড়ে গিয়েছেন তিনি। মার্কিন প্রশাসনকে ইঙ্গিত করে তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, কেউ এসে ৪,০০০ বছরের পুরনো একটি সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিতে পারে না। যারা এটা করার চেষ্টা করছে, তারা আসলে নিজেদের দেশেরই ক্ষতি করছে। (ছবি সৌজন্যে - রয়টার্স)

ইরানি জনতার একাংশ খামেনেই হত্যার প্রতিশোধের দাবিও তুলেছেন এই শেষ যাত্রা থেকেই। এক সংবাদ সংস্থাকে উপস্থিত এক ব্যক্তি জানান, যাঁরা খামেনেইকে হত্যা করেছেন, তাঁদের শাস্তি পেতেই হবে।

অন্যদিকে, আলি খামেনেইয়ের শেষ যাত্রায় জনসমুদ্র এবং মানুষের কান্না দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, "আমি অবাক হয়ে গিয়েছি। আমি তো জানতাম মানুষ ওকে ঘৃণা করে। যদিও এই কান্না লোক দেখানোও হতে পারে।"