West Bengal STF raid: বাংলায় বারুদের স্তূপ! দুই জেলা মিলিয়ে প্রচুর বিস্ফোরক ও অস্ত্র উদ্ধার, বড় নাশকতার প্ল্যান ছিল?

আজ ভোরেই বীরভূমে তল্লাশি চালায় বেঙ্গল STF। তারা বিপুল পরিমাণে বিস্ফোরক উদ্ধার করে। জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১,১৫০টি জিলেটিন স্টিক, ৯৮৯টি ডিটোনেটর এবং ১২ হাজার মিটার ডিটোনেটিং কর্ড।ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করেছে STF।

Advertisement
বাংলায় বারুদের স্তূপ! দুই জেলা মিলিয়ে প্রচুর বিস্ফোরক ও অস্ত্র উদ্ধার, বড় নাশকতার প্ল্যান ছিল?বাংলায় প্রচুর বিস্ফোরক ও অস্ত্র উদ্ধার (ছবি: নিজস্ব)
হাইলাইটস
  • আজ ভোরেই বীরভূমে তল্লাশি চালায় বেঙ্গল STF
  • তারা বিপুল পরিমাণে বিস্ফোরক উদ্ধার করে
  • উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১,১৫০টি জিলেটিন স্টিক

কালীপুজোর আগেই বাংলায় উদ্ধার হল প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক ও অস্ত্র। আজ ভোরে বীরভূমের মুরারই থানার অন্তর্গত বড়োয়া গোপালপুর গ্রামে একটি জায়গায় অভিযান চালায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)। সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে।

এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই দুই জনকে গ্রেফতার করেছে STF। ধৃতদের নাম রাজগ্রামের মহম্মদ রেজা শেখ ওরফে গুডা এবং সিউড়ির তিলপাড়ার মুকেশ সিং।

আবার পশ্চিম বর্ধমানে অন্য একটি তল্লাশিতে বিপুল পরিমাণে অস্ত্র উদ্ধার করেছে এসটিএফ। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারও করা হয়েছে।

কী কী উদ্ধার হয়েছে? 
আজ ভোরেই বীরভূমে তল্লাশি চালায় বেঙ্গল STF। তারা বিপুল পরিমাণে বিস্ফোরক উদ্ধার করে। জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১,১৫০টি জিলেটিন স্টিক, ৯৮৯টি ডিটোনেটর এবং ১২ হাজার মিটার ডিটোনেটিং কর্ড। 

ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করেছে STF। সেই সঙ্গে ঘটনার জন্য মামলা রুজু করা হয়েছে। পাশাপাশি শুরু হয়েছে তদন্ত। উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরকগুলি কোথায় নিয়ে যাওয়া হতো, কী কাজে ব্যবহার করা হতো, এই সব বিষয়গুলি খতিয়ে দেখছেন পশ্চিমবঙ্গ STF-এর অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড (ATS)।

বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্রের বিরুদ্ধেও STF-এর বড় অভিযান
ওদিকে আবার পশ্চিম বর্ধমানে আরও একটি একটি পৃথক অভিযান চালিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ STF। সেখানে বেআইনি অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। ৩ ও ৫ নভেম্বর আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের অন্তর্গত পাণ্ডবেশ্বর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

জামুড়িয়া থানার ৩১০/২৬ নম্বর মামলায় ধৃত শেখ সাহাজানের কাছ থেকে মোট ২১টি বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৬৫ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।

জানা যাচ্ছে, উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ৬টি লম্বা মাস্কেট, চারটি ৭ মিমি পিস্তল এবং ১১টি পাইপগান। এছাড়া উদ্ধার হয়েছে ৮ মিমি-র ৪৭ রাউন্ড এবং ৭.৬৫ মিমি-র ১৮ রাউন্ড কার্তুজ।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের দাবি, ধৃত ব্যক্তি এলাকায় সমাজবিরোধী হিসেবেই পরিচিত। এই ব্যক্তি বেআইনি কয়লা কারবারের সঙ্গে যুক্ত। 

Advertisement

এর আগে এই মামলায় আরও দু'জনকে গ্রেফতার করেছিল STF। খাইরুল আলমের কাছ থেকে দুটি এবং মহম্মদ শামশেরের কাছ থেকে ১৫টি বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়।

সব মিলিয়ে এই মামলায় এখনও পর্যন্ত মোট ৩৮টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ১২২ রাউন্ড কার্তুজ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত চলছে। পাশাপাশি আরও বেআইনি অস্ত্র উদ্ধারের জন্য তল্লাশি অভিযানও জারি রয়েছে।

 

POST A COMMENT
Advertisement