Suvendu Adhikari Rejinagar: 'লাইন দিয়ে হাত মিলিয়েছে,' রেজিনগরে মুসলিমদের কী বার্তা শুভেন্দুর? হুমায়ুনকেও টার্গেট

এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'শাখারভ সরকার বিধানসভায় যাবে। রেজিনগরের মানুষ সরকারের সঙ্গে থাকবে। রেজিনগর সাম্প্রদায়িকতা থেকে বেরতে চাইছে। এখানকার মানুষ উন্নতি চায়।'

Advertisement
'লাইন দিয়ে হাত মিলিয়েছে,' রেজিনগরে মুসলিমদের কী বার্তা শুভেন্দুর? হুমায়ুনকেও টার্গেটরেজিনগরে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী?
হাইলাইটস
  • শাখারভ সরকার বিধানসভায় যাবে
  • রেজিনগরের মানুষ সরকারের সঙ্গে থাকবে
  • রেজিনগর সাম্প্রদায়িকতা থেকে বেরতে চাইছে

রেজিনগরে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকারের সমর্থনে বৃহস্পতিবার জনসভায় বক্তব্য রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি দাবি করলেন, সংখ্যালঘুরা এতদিন ভোট না দিলেও এখন লাইন দিয়ে তাঁর সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। তাই তিনি আশাবাদী যে রেজিনগর উপনির্বাচনে জিতবে বিজেপি।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'শাখারভ সরকার বিধানসভায় যাবে। রেজিনগরের মানুষ সরকারের সঙ্গে থাকবে। রেজিনগর সাম্প্রদায়িকতা থেকে বেরতে চাইছে। এখানকার মানুষ উন্নতি চায়।' 

তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে জয় নিয়ে কোনও সংশয় নেই। সেখানে ৫০ হাজার ভোট, ১ লাখ ভোট না কত ভোটে জয় হবে, সেটাই এখন দেখার। 

এরপরই সংখ্যালঘুদের প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, 'সংখ্যালঘুরা এতদিন ভোট দেননি। তাঁরাই এখন লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। বলেছেন, আমরা ভোট নষ্ট করব না।'

এরপর একযোগে বাম, কংগ্রসকে আক্রমণ করেন শুভেন্দু। তিনি বিধানসভায় বাম ও কংগ্রেসের বর্তমান বিধায়ক সংখ্যা নিয়ে কটাক্ষ ছুড়ে দেন।

এরপরই তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেন, '১৫০ দিনের মধ্যে জোড়াফুল নেই। তৃণমূল নেই। ২৮ জন এমপি-এর মধ্যে ২০ জন বলে আমাদের নেতা অন্য। ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬৪ জন বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মানি না।'

হুমায়ুনকে বার্তা 
এরপর আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীরকে আক্রমণ করেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'তিনি বলছেন অজিত পাওয়ার প্লেন অ্যাক্সিডেন্ট মারা গেল। ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী আততায়ীর হাতে খুন হয়েছেন। আমি প্রতি শুক্রবার শুক্রবার উপরওয়ালার কাছে প্রার্থনা করব যাতে উপরওয়ালা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে পৃথিবী থেকে তুলে নেয়। এই লোককে ভোট দেবেন? আমরা শত্রু হলেও এই ধরনের ভাষা মুখে আনি না। রাজনীতির ময়দানে লড়াই হয়। লড়াই হবে। তর্ক হবে। আলোচনা, সমালোচনা হবে। আর এখানে হুমায়ুন সাহেব বলছেন, আমি প্রতি শুক্রবার প্রার্থনা করছি যাতে উপরওয়ালা তাড়াতাড়ি মুখ্যমন্ত্রীকে অজিত পাওয়ারের মতো তুলে নেন। আমি বিচারের ভার রেজিনগরের গণদেবতার উপর ছেড়ে দিয়ে দিলাম। আরে আপনার লোকেরাই আপনার কাছ থেকে সরে গেছে।'

Advertisement

তিনি দাবি করেন, হুমায়ুন বিভাজনের রাজনীতি করেছেন। ধর্মীয় রাজনীতি করেছেন। বিধানসভায় গিয়েছেন নওদা থেকে। ৫ মাসে কিছু দিতে পারেননি। 

এরপরই রেজিনগরের মানুষদের প্রতিশ্রুতি দেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এখানে শিল্পতালুক তৈরি হবে। পরিযায়ী শ্রমিকরা ফিরে আসবেন। কলেজ হবে। রাস্তা হবে। হাসপাতাল হবে। শেষে তিনি জানান, এখানে বিজেপি জিতলে তিনি নিজেই সার্টিফিকেট নিতে আসবেন ৯ অক্টোবর। 

 

POST A COMMENT
Advertisement