এনসিপিআই সাংসদরা কি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন? শমীক যা জানালেন (ছবি: পিটিআই)১৭ জন এনসিপিআই সাংসদ যোগ দিতে চলেছেন বিজেপিতে। শুধু ৩ জন সংখ্যালঘু সাংসদ যোগ দেবেন না। আজ এমনটাই দাবি করেছেন কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। আর তাঁর এই দাবি সামনে আসার পরই রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল। অনেকেই এই ইস্যুতে রাজ্য বিজেপির অবস্থান জানতে চাইছেন। এমন পরিস্থিতিতে বিষয়টা নিয়ে মুখ খুললেন ভারতীয় জনতা পার্টির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই সব সাংসদরা এনসিপিআই-তে রয়েছেন। তাঁদের বিজেপিতে নেওয়া হয়নি।
আজ সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে এই বিষয়ে শমীক বলেন, 'মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিজেপিকে ক্ষমতায় এনেছে। তৃণমূলের অত্যাচার মানুষ ভুলে যায়নি। এখন একটা নতুন দল কিছু সাংসদ মিলে তৈরি করেছেন। সেই দল এনডিএ-কে সমর্থন দিয়েছে। আমরা তাঁদের স্বাগত জানিয়েছি। তবে তাঁরা বিজেপিতে যোগদান করেননি। তাঁরা এনডিএ-এর সঙ্গে আছেন। তাঁরা এনডিএ-এর শরিক। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি একার শক্তিতে লড়াই করে দুই তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী হয়েছে।'
মাথায় রাখতে হবে, ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার তিন সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়, প্রকাশ চিক বরাইক ও সুস্মিতা দেবকে দলে নিয়েছে বিজেপি। তবে এই তিনজনই প্রথমে রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দেন। তারপর তাঁরা বিজেপিতে যোগ দেন।
আর আজ এই ৩ জনের বিজেপি যোগের বিষয়টা নিয়েও প্রশ্নের মুখোমুখি হন শমীক। তাঁর উত্তরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, 'সেটা পার্টি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে পার্টিতে তাঁরা জয়েন করেছে। তিনজন জয়েন করার অর্থ ৩০ জন জয়েন করা নয় বা ২৩ জন জয়েন করা নয়।'
অর্থাৎ তাঁর বক্তব্য থেকেই এটা পরিষ্কার যে আপাতত তৃণমূল কংগ্রেসের ১৭ জন এমপি-কে নিচ্ছে না বিজেপি। এমন কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। এখন দেখার আগামিদিনে পরিস্থিতি ঠিক কোন দিকে যায়।
আজ কী বলেন জগদীশ?
একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে তিনি বলেন, '৩ জন সংখ্যালঘু সাংসদকে বাদ দিয়েই এনসিপিআই-এর বাকি ১৭ জন সাংসদ যাচ্ছেন বিজেপি-তে। আবু তাহের, খলিলুরদের বিভিন্ন দফতর দেওয়া হবে। তাঁরাও এনডিএ-কে সমর্থন করবেন। ওঁদের এলাকা সংখ্যালঘু, তাই ওঁরা সরাসরি বিজেপি-তে যাবেন না। কিছু সমস্যা আছে।'
তবে তাঁর এই কথার সঙ্গে সহমত হননি অনেক এনপিসিআই সাংসদ। আর এবার বিজেপির রাজ্য সভাপতিও জানিয়ে দিলেন যে এই মুহূর্তে এনসিপি সাংসদদের বিজেপিতে নেওয়া হচ্ছে না।