দত্তপুকুরে গাড়ি থেকে বিস্ফোরক উদ্ধার উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে যশোর রোডের ধারে দাঁড়িয়ে ছিল একটি সাদা রঙের গাড়ি। সেই গাড়ির দিকে নজর ছিল এসটিএফ-এর। এরপর এসটিএফ, এনআইএ ও এনএসজি মিলে গাড়িটিতে তল্লাশি চালায়। সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে বিস্ফোরক। এমনকী স্প্লিন্টারও পাওয়া গিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে। আর দশমীর রাতে এই বিস্ফোরক উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি পুজোতে নাশকতার ছক ছিল? যদিও তার উত্তর এখনও মেলেনি।
ঠিক কী ঘটেছে?
সূত্রের খবর, এসটিএফ-এর কাছে আগে থেকেই এই বিষয়ে খবর ছিল। তাই তারা গাড়িটির দিকে নজর রেখেছিল। এমন পরিস্থিতিতে দত্তপুকুরে যেখানে গাড়িটি রাখা ছিল, সেখানে উপস্থিত হয় এসটিএফ, এনআইএ ও এনএসজি। তারা তল্লাশি শুরু করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তল্লাশিতে গাড়ি থেকে এক কেজির বেশি স্প্লিন্টার পাওয়া গিয়েছে। শুধু তাই নয়, অল্প পরিমাণ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের মতো বিস্ফোরক পদার্থ উদ্ধার হয়েছে গাড়িটি থেকে।
বুধবার রাতেই গাড়িটি আটক করা হয়েছে। সেই সঙ্গে শুরু হয়েছে তদন্ত। জানা যাচ্ছে, বিস্ফোরক এবং রাসায়নিক নিয়ে কলকাতার দিকে যাওয়ার প্ল্যান ছিল গাড়িটির। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
যতদূর খবর, এই ঘটনার তদন্তে বাইক শোরুমের মালিক রাকিবুল ইসলামের নাম জড়িয়েছে। তাকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাঁর দুটি মোবাইল ফোন ও একটি ল্যাপটপ বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা।
এমতাবস্থায় রাকিবুলের ভাই মইদুল ইসলামের খোঁজেও তল্লাশি চলছে। উদ্ধার হওয়া সামগ্রী কার, সেটার খোঁজ চলছে। সেই সঙ্গে গাড়িটির মালিকানা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এমনকী কোথাও নাশকতার প্ল্যান ছিল কি না, সেটারও খোঁজ চলছে। এখন দেখার কত তাড়াতাড়ি এই সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়।