Digha Beach Hawkers Ban: দিঘার বিচে হকার নিষিদ্ধ, পর্যটনের মরসুমেই হঠাত্‍ সিদ্ধান্ত, কেন?

দিঘায় ঘুরতে যাবেন? তাহলে শুনুন, এবার থেকে বিচে আর দেখা মিলবে না হকারের। স্থানীয় প্রশাসন সমুদ্র সৈকত থেকে হকার তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

Advertisement
দিঘার বিচে হকার নিষিদ্ধ, পর্যটনের মরসুমেই হঠাত্‍ সিদ্ধান্ত, কেন?দিঘা বিচে হকার নিষিদ্ধ
হাইলাইটস
  • দিঘায় ঘুরতে যাবেন?
  • এবার থেকে বিচে আর দেখা মিলবে না হকারের
  • স্থানীয় প্রশাসন সমুদ্র সৈকত থেকে হকার তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে

দিঘাকে আরও ঢেলে সাজাতে চাইছে প্রশাসন। সেই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব করে তোলার চেষ্টা চলছে বিচ। সমুদ্র সৈকতে যাতে মানুষের চলাফেরায় সমস্যা না হয়, সেটাও নিশ্চিত করা হচ্ছে। আর সেই কারণে এবার দিঘার বিচে হকার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এখন থেকে দিঘার সমুদ্র সৈকতে ব্যবসা করা যাবে না। এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। আর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন পর্যটক এবং দিঘা শঙ্করপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। যদিও হকারদের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। (ছবি: পিটিআই)

প্রশাসন মনে করছে, দিনে দিনে দিঘায় বাড়ছে পর্যটকদের ভিড়। তাঁদের সুবিধা ও নিরাপত্তার কথা চিন্তা করা হচ্ছে। সেই মতো দিঘার সমুদ্র সৈকত হকার মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে আর দিঘার সমুদ্র সৈকতে ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করা হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন আধিকারিকরা। 

মাথায় রাখতে হবে, দিঘা হল বাঙালির অন্যতম ফেভারিট ট্রাভেল ডেস্টিনেশন। কম টাকায় সমুদ্রের ঢেউয়ের স্বাদ নিতে অনেকেই নিয়মিত দিঘায় ঢুঁ মারেন। তবে বেশ কিছু দিন ধরেই দিঘা নিয়ে নানা রকমের অভিযোগ উঠে আসছে। অনেকের দাবি, দিঘার বিচ অত্যন্ত নোংরা হয়ে যাচ্ছে। সেখানে উপস্থিত দোকান থেকে খেয়ে একাংশের মানুষ ঠোঙা, প্যাকেট ফেলছেন বিচে। আর তাতে বিচের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। নোংরা হচ্ছে সমুদ্র। পরিবেশ দূষণ চরমে উঠেছে। 

আরও একটা অভিযোগ হল, সমুদ্র সৈকতে নেমেই ব্যবসা করছিলেন হকাররা। যার ফলে সেখানে চলাফেরা করতে সমস্যা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে পর্যটদের চলাফেরার সুবিধার্থে দিঘার সৈকতে হকারদের বসতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দিল প্রশাসন।

প্রশাসন সূত্রে খবর, অনেক দিন ধরেই হকার তুলে দেওয়া হবে বলে প্ল্যানিং করা হয়েছে। পর্যটকদের সুবিধার্থেই এই কাজটা করা হচ্ছে।

আসলে সামনেই রয়েছে কালীপুজোর ছুটি। তারপর আবার বড়দিন, নতুন বছরের ছুটি রয়েছে। এই সময় প্রচুর সংখ্যক মানুষ দিঘার উদ্দেশে রওনা দেবেন। আর ঠিক তার আগেই সমুদ্র সৈকতকে হকারমুক্ত করতে উদ্যোগী হল প্রশাসন।

Advertisement

যদিও এই সিদ্ধান্তের ফলে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে সেখানকার হকারদের মধ্যে। অভিযোগ, সমুদ্রের ধারে জিনিসপত্র বিক্রি করেই দিন চলে তাঁদের। এমন পরিস্থিতিতে প্রশাসন কোনও বিকল্পের কথা না ভেবেই তাঁদের তুলে দিচ্ছে। 

 

POST A COMMENT
Advertisement