Kaliachak Brown Sugar Seizure: মালদায় কোটি টাকার মাদক-পিস্তল সহ জালে ৫ দুষ্কৃতী, বাংলাদেশ যোগ খতিয়ে দেখছে পুলিশ

Kaliachak Brown Sugar Seizure: পুলিশ সূত্রে খবর, প্রথম সাফল্যটি এসেছে কালিয়াচকে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কালিয়াচক থানার পুলিশ ইমাম জায়গীরের দক্ষিণ লক্ষ্মীপুর এলাকায় একটি গোপন ডেরায় অতর্কিতে হানা দেয়। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে ৩ কেজিরও বেশি মাদক তৈরির কাঁচামাল এবং ৩২৭ গ্রাম তৈরি হওয়া খাঁটি ব্রাউন সুগার বাজেয়াপ্ত করা হয়।

Advertisement
মালদায় কোটি টাকার মাদক-পিস্তল সহ জালে ৫ দুষ্কৃতী, বাংলাদেশ যোগ খতিয়ে দেখছে পুলিশমালদায় কোটি টাকার মাদক-পিস্তল সহ জালে ৫ দুষ্কৃতী, বাংলাদেশ যোগ খতিয়ে দেখছে পুলিশ

Kaliachak Brown Sugar Seizure: সীমান্ত জেলা মালদহে বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ। জেলা জুড়ে পৃথক দুটি অভিযানে উদ্ধার হল কোটি টাকার মাদক, একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ এবং চোরাই মোটরবাইক। এই সব অপরাধের ঘটনায় আন্তর্জাতিক তথা ওপার বাংলার দুষ্কৃতীদের কোনও বড়সড় যোগসূত্র থাকতে পারে বলে প্রবল সন্দেহ করছেন তদন্তকারীরা। মেগা এই অভিযানে মোট ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, প্রথম সাফল্যটি এসেছে কালিয়াচকে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কালিয়াচক থানার পুলিশ ইমাম জায়গীরের দক্ষিণ লক্ষ্মীপুর এলাকায় একটি গোপন ডেরায় অতর্কিতে হানা দেয়। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে ৩ কেজিরও বেশি মাদক তৈরির কাঁচামাল এবং ৩২৭ গ্রাম তৈরি হওয়া খাঁটি ব্রাউন সুগার বাজেয়াপ্ত করা হয়। ওই এলাকারই একটি বাড়িতে মাদকের সমান্তরালে লুকোনো ছিল মারাত্মক আগ্নেয়াস্ত্রও। পুরো বাড়ি চিরুনি তল্লাশি করে ২টি সেভেন এমএম পিস্তল, ২টি ম্যাগাজ়িন এবং ৪ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে বাড়ির মালিক শাহাদাত শেখ এবং তাঁর সঙ্গী ইব্রাহিম শেখকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানিয়ে সোমবারই মালদা জেলা আদালতে পেশ করা হচ্ছে।

মালদার পুলিশ সুপার অনুপম সিংহ জানিয়েছেন, ‘‘ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতেই এই বিশেষ তল্লাশি অভিযান চালিয়ে ওই দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মাদকের আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য প্রায় এক কোটি টাকা। কোথা থেকে এই বিপুল মাদক ও মারাত্মক অস্ত্র আনা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে অনুমান, মাদকের বড়সড় কারবারে প্রচুর নগদ টাকা লেনদেন হয়, আর সেই সুরক্ষার কারণেই সম্ভবত এই মারণ আগ্নেয়াস্ত্র মজুত করেছিল ওই চক্রটি।’’

অন্যদিকে, ঠিক এর আগের দিন অর্থাৎ রবিবার রাতে চোরাই মোটরবাইক চক্রের খোঁজে ইংরেজবাজারে রাজ্য সড়কের ধারে একটি ধাবার কাছে হানা দেয় পুলিশ। সেখানে রাজিকুল ইসলাম ওরফে সাহিল, তৌফিক সেখ এবং আমিন শেখ নামে তিন সন্দেহভাজনকে পাকড়াও করা হয়। পুলিশ দেখে অভিযুক্তেরা চম্পট দেওয়ার চেষ্টা করলেও পুলিশ তাড়া করে তাঁদের ধরে ফেলে। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ২টি বাইকই চুরি করা। পুলিশ তদন্তে জানতে পেরেছে, এর মধ্যে একটি মোটরবাইক বিহার থেকে চুরি করে আনা হয়েছিল। ধৃতদের জেরা করে পুলিশ আরও জানতে পেরেছে যে, ইতিপূর্বেই তারা ৩-৪টি বাইক চুরি করে বাজারে বিক্রিও করে দিয়েছে। এই আন্তঃরাজ্য বাইকচোর চক্রের সঙ্গে কোনও বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের যোগসাজশ রয়েছে কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাইক চক্রের এই তিন জনকেও নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার তোড়জোড় শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement