ব্লু আধার কার্ডআধার কার্ড অত্যন্ত জরুরি একটু ডকুমেন্ট। এটি এখন প্রায় সব জায়গায় লাগে। তবে অনেকেই জানেন না যে আধারের একটা বিশেষ ধরন রয়েছে। আর সেটি হল নীল আধার কার্ড। এই আধার কার্ড কিন্তু সাধারণ কার্ডের থেকে আলাদা। এর কাজও কিছুটা ভিন্ন। তাই নীল আধার কার্ড সম্পর্কে জেনে নিন।
নীল আধার কার্ড কী?
আসলে ৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য নীল আধার কার্ড ইস্যু করে ইউআইডিএআই বা আধারের নিয়ামক সংস্থা। এটি বিশেষ আধার কার্ড। এটি শিশুদের নানা কাজে লাগে।
এই কার্ডে কী থাকে?
সাধারণ আধার কার্ড আর এই কার্ডে মোটামুটি একই তথ্য থাকে। এক্ষেত্রে শিশুর নাম, বাবার নাম বা মায়ের নাম থাকে। এছাড়া থাকে আধার কার্ডের নম্বর।
এই নীল আধার কার্ড বা ব্লু আধার কার্ডের সঙ্গে বাবা ও মায়ের আধার কার্ডের সংযোগ থাকে। তবে এই কার্ড শুধুমাত্র ৫ বছর বয়স পর্যন্তই দেওয়া হয়।
কেন এই বিশেষ আধার কার্ড?
আসলে ৫ বছর বয়স পর্যন্ত শরীরের বেশ কিছু বৈশিষ্ট তৈরি হয় না। সেই কারণে ছোটদের বায়োমেট্রিক নেওয়া হয় না। তাদের কার্ড তৈরির সময় চোখের মণির স্ক্যান, হাতের আঙুলের স্ক্যান করা হয় না। বাবা-মায়ের আধারের সঙ্গে লিঙ্ক করেই এই কার্ড দেওয়া হয়। এই কার্ড ছোটদের স্কুলে ভর্তি, টিকাকরণ থেকে শুরু করে নানাবিধ কাজে লাগে।
এই কার্ড আপডেট করতে হয়
এই নীল আধার কার্ড ৫ বছর বয়স পর্যন্তই ভ্যালিড। এরপর আবার আধার কার্ডের আপডেট করতে হবে। নইলে ব্লু আধার কার্ডে আর কাজ হবে না।
সাধারণ কার্ডের সঙ্গে কী তফাত?
সাধারণ আধার কার্ডে বায়োমেট্রিক থাকে। অর্থাৎ চোখের মণি এবং হাতের আঙুলের ছাপের লিঙ্ক থাকে কার্ডের সঙ্গে। এটাই হল আধার কার্ডের বৈশিষ্ট্য। তবে ব্লু আধার কার্ডে এসব কিছুই থাকে না। এটার সঙ্গে শুধু বাবা মায়ের কার্ডের যোগ থাকে।
এই কার্ড কীভাবে করতে হয়?
এখন একাধিক পোস্ট অফিসে আধার এনরোলমেন্ট সেন্টার রয়েছে। সেখানে গিয়ে প্রথমে ফর্ম ফিলআপ করতে হবে। তারপর শিশুর বার্থ সার্টিফিকেট, বাবা-মায়ের আধার কার্ড ইত্যাদি জমা দিতে হবে। তারপর শিশুর একটি ছবি তোলা হবে। এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই কার্ডটা সাধারণ ঠিকানায় চলে আসে। এটাই হল নিয়ম।