সিঙ্গল বা জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে।Post Office MIS Scheme 2026: মাস মাইনে বা ব্যবসার প্রফিট তো আছেই। কিন্তু তার বাইরেও যদি প্রতি মাসে অ্যাকাউন্টে কয়েক হাজার টাকা ঢোকে? শুনে স্বপ্নের মতো লাগছে, তাই না? তবে বাস্তবেই এমনটা সম্ভব। সরকারি স্কিমে, নিরাপদ পদ্ধতিতেই সম্ভব। সৌজন্যে পোস্ট অফিস। পোস্ট অফিসের মাসিক আয় প্রকল্প বা POMIS এর মাধ্যমেই সম্ভব। একবার কষ্ট করে বিনিয়োগ করতে হবে। সেটা করলেই প্রতি মাসে নিশ্চিত আয়ের সুবিধা পাবেন। বর্তমানে এই স্কিমে সুদের হারও মন্দ নয়। ৭.৪ শতাংশ সুদ পাবেন। স্বাভাবিকভাবেই মধ্যবিত্ত, রিটায়ার্ড লোকদের জন্য এটি বেশ ভাল একটি স্কিম।
পোস্ট অফিসের স্কিম
ঝুঁকিহীন বিনিয়োগের অপশন হিসেবে পোস্ট অফিস স্কিম বরাবরই বেশ জনপ্রিয়। সরকার-সমর্থিত হওয়ায় মূলধনও নিরাপদ থাকে।
এই স্কিমে একবার টাকা জমা করলেই প্রতি মাসে নির্দিষ্ট হারে সুদ পাওয়া যায়। ফলে অবসরপ্রাপ্ত থেকে শুরু করে স্থায়ী মাসিক আয় খুঁজছেন এমন বহু মানুষ এই প্রকল্পে আগ্রহী।
সিঙ্গল ও জয়েন্ট অ্যাকাউন্টের সুবিধা
এই স্কিমে সিঙ্গল এবং জয়েন্ট; দু'ধরনের অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা রয়েছে। সিঙ্গল অ্যাকাউন্টে সর্বোচ্চ ৯ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যায়। অন্যদিকে জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে সর্বোচ্চ সীমা ১৫ লক্ষ টাকা।
কত সুদ?
বর্তমানে এই প্রকল্পে বার্ষিক ৭.৪ শতাংশ হারে সুদ পাবেন। এই সুদ প্রতি মাসে অ্যাকাউন্টে জমা হয়, যা নিয়মিত আয়ের সুযোগ তৈরি করে।
তবে এই স্কিমে কিছু নির্দিষ্ট নিয়মও রয়েছে। অ্যাকাউন্ট খোলার এক বছরের আগে টাকা তোলা যায় না। তিন বছরের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করলে মূলধনের ২ শতাংশ কেটে নেওয়া হয়।
মাসে প্রায় ১০ হাজার টাকা আয়
জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করলে ৭.৪ শতাংশ হারে বছরে প্রায় ১,১১,০০০ টাকা সুদ পাওয়া যায়। সেই হিসাব অনুযায়ী মাসিক আয় দাঁড়াবে প্রায় ৯,২৫০ টাকা।
ফলে, ঝুঁকিহীন ও স্থায়ী আয়ের উৎস হিসেবে পোস্ট অফিসের এই স্কিম বেশ ভাল। এ বিষয়ে বিশদে জানতে আপনার নিকটস্থ পোস্ট অফিসের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলুন।
দ্রষ্টব্য: শেয়ার, বিনিয়োগ সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলি বাজার পর্যবেক্ষণ মাত্র। এগুলি বিনিয়োগের পরামর্শ নয়। বাজারে বিনিয়োগের আগে অবশ্যই পড়াশোনা করুন এবং বিশেষজ্ঞের সাহায্য গ্রহণ করুন।