F&O Trading Time Change: শেয়ার বাজারে বড় বদল, F&O ট্রেডিংয়ের নতুন সময় জানুন

F&O Trading Time Change: ইকোনমিক টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী ৩ আগস্ট ২০২৬ থেকে এই নতুন সময়সূচি কার্যকর হতে চলেছে। তবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের একটা বিষয় স্পষ্ট থাকা দরকার, এই বাড়তি ১০ মিনিটের সুবিধা কিন্তু মূলত ইক্যুইটি ফিউচার এবং ইক্যুইটি অপশনস ট্রেডিংয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।

Advertisement
শেয়ার বাজারে বড় বদল, F&O ট্রেডিংয়ের নতুন সময় জানুনF&O Trading Time Change: শেয়ার বাজারে বড় বদল F&O ট্রেডিংয়ের সময় বদলাল NSE, জেনে নিন নতুন সময়সূচি

F&O Trading Time Change: দেশের শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারী এবং ট্রেডারদের জন্য অত্যন্ত বড় খবর। ফিউচার অ্যান্ড অপশনস অর্থাৎ ইক্যুইটি ডেরিভেটিভস (F&O) সেগমেন্টে লেনদেনের সময়সীমা বাড়ানোর এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিল ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ (NSE)। এবার থেকে ডেরিভেটিভস বাজারে ব্যবসার সময় আরও ১০ মিনিট বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এত দিন বিকেল সাড়ে ৩টে বাজলেই যেখানে ডেরিভেটিভস মার্কেট বন্ধ হয়ে যেত, নতুন নিয়ম অনুযায়ী এখন থেকে ক্লোজিং টাইম বা বাজার বন্ধের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বিকেল ৩টে ৪০ মিনিট।

কবে থেকে চালু হচ্ছে নতুন নিয়ম এবং কাদের ওপর প্রভাব?
ইকোনমিক টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী ৩ আগস্ট ২০২৬ থেকে এই নতুন সময়সূচি কার্যকর হতে চলেছে। তবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের একটা বিষয় স্পষ্ট থাকা দরকার, এই বাড়তি ১০ মিনিটের সুবিধা কিন্তু মূলত ইক্যুইটি ফিউচার এবং ইক্যুইটি অপশনস ট্রেডিংয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। সাধারণ ক্যাশ মার্কেট বা ইক্যুইটি ক্যাশ সেগমেন্টের সময়সীমার ক্ষেত্রে কোনো বড়সড় রদবদলের উল্লেখ করা হয়নি।

কেন এই পদক্ষেপ নিল NSE?
হঠাৎ কেন এই ১০ মিনিট সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল কর্তৃপক্ষ? বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, মূলত তিনটি কারণ রয়েছে এর পেছনে:

বিনিয়োগকারী এবং ছোট-বড় ট্রেডারদের লেনদেনের ক্ষেত্রে আরও বেশি সুযোগ দেওয়া।

বাজারের ওঠাপড়ার বাজারে ট্রেডাররা যাতে নিজেদের পজিশন বা শেয়ার হোল্ডিং আরও নমনীয়ভাবে পরিচালনা (Position Management) করতে পারেন, তার সুবিধা দেওয়া।

ডেরিভেটিভস ট্রেডিংয়ের সার্বিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল ও মজবুত করা।

সাধারণ ট্রেডার ও বিনিয়োগকারীদের কী লাভ হবে?
এই বাড়তি ১০ মিনিট সময় কিন্তু ইন্ট্রাডে বা অপশনস ট্রেডারদের কাছে গোল্ডেন টাইম হতে চলেছে। বিশেষ করে সাপ্তাহিক বা মাসিক ‘এক্সপায়ারি ডে’ (Expiry Day)-র দিনগুলোতে যখন শেষ মুহূর্তে বাজারে তীব্র অস্থিরতা (Volatility) দেখা যায়, তখন পজিশন স্কয়ার অফ বা অ্যাডজাস্ট করার জন্য ট্রেডাররা অনেকটাই বাড়তি সময় পাবেন। এর ফলে হেজিং (Hedging) এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার (Risk Management) কাজ অনেক সহজ হবে। আপনি যদি ফিউচার কনট্রাক্ট হোল্ড করেন কিংবা একজন পুরোদস্তুর ইন্ট্রাডে F&O ট্রেডার হন, তবে ক্লোজিং অ্যাডজাস্টমেন্টের জন্য এই বাড়তি উইন্ডো আপনার জন্য দারুণ লাভদায়ক প্রমাণিত হতে পারে।

Advertisement

তবে প্রশ্ন উঠছে, এনএসই-র দেখাদেখি বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ (BSE)-ও কি একই পথে হাঁটবে? আপাতত বিএসই-র তরফে এমন কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়নি। সাধারণত এই ধরনের ক্ষেত্রে প্রতিটি এক্সচেঞ্জ স্বাধীনভাবে নিজেদের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। তবে এনএসই-র এই পদক্ষেপ যে দাল্লাল স্ট্রিটে এক নতুন চর্চার জন্ম দিল, তা বলাই বাহুল্য।

 

POST A COMMENT
Advertisement