কিলিয়ান এমবাপে ও জুড বেলিংহ্যাম২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে হেরে যাওয়ার পর উভয় দলই জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করতে চাইবে। মিয়ামি স্টেডিয়ামে (হার্ডরক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এ কদিকে রয়েছে ২০১৮ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স এবং অন্যদিকে ইংল্যান্ড, যারা বড় টুর্নামেন্টগুলোতে ভালো পারফর্ম করা সত্ত্বেও ধারাবাহিকভাবে কোনো শিরোপা জিততে ব্যর্থ হয়েছে।
এই ম্যাচে সারা বিশ্ব ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে এবং ইংল্যান্ডের তারকা জুড বেলিংহ্যামের দিকে তাকিয়ে থাকবে। টুর্নামেন্ট জুড়ে উভয় খেলোয়াড়ই দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন এবং নিজ নিজ দলকে তৃতীয় স্থানে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব তাদের ও পর থাকবে। আজেন্টিনার কাছে সেমিফাইনালে হেরে বিদায় নিয়েছে ফ্রান্স, অন্যদিকে ইংল্যান্ড হেরেছে স্পেনের কাছে। এখন উভয় দলই সম্মান রক্ষা করে বিশ্বকাপ থেকে ব্রোঞ্জ পদক জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে।
এমবাপে বনাম বেলিংহাম
কিলিয়ান এমবাপে ফ্রান্সের সর্বকালের সেরা ম্যাচ উইনার। তার গতি, ফিনিশিং এবং বড় ম্যাচে পারফরম্যান্স তাকে বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক খেলোয়াড়ে পরিণত করেছে। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে এমবাপে এখন পর্যন্ত আটটি গোল করেছেন এবং গোল্ডেন বুটের দৌড়ে টিকে আছেন। ফ্রান্সের আশা আবারও তার পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করবে।
অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যাম মাঝমাঠে চমৎকার খেলা দেখিয়েছেন। তার বক্স-টু-বক্স খেলার দক্ষতা, বল নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রমণকে গতিশীল করার ক্ষমতাই ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় শক্তি। এই বিশ্বকাপে বেলিংহ্যাম ছয়টি গোল করেছেন। হ্যারি কেনের সঙ্গে তার জুটি ফরাসি রক্ষণভাগের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
কোন দল সুবিধাজনক অবস্থানে আছে?
ফ্রান্সের বড় ম্যাচের অভিজ্ঞতা এবং বিশ্বমানের খেলোয়াড়ের অভাব নেই। এমবাপে, শক্তিশালী রক্ষণভাগ এবংদ্রুত পাল্টা আক্রমণই ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় শক্তি। অন্যদিকে, ইংল্যান্ড দলে তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার এক শক্তিশালী মিশ্রণ রয়েছে। শক্তিশালী মধ্যমাঠ, ক্ষিপ্র উইং প্লে এবং চমৎকার সেট-পিস পারফরম্যান্স তাদেরকে যেকোনো দলের বিপক্ষে বিপজ্জনক করে তোলে।