ইস্টবেঙ্গল দলচাপে পড়ে গেল ইস্টবেঙ্গল। পিছিয়ে পড়ল ইস্টবেঙ্গল। ফলে উল্লাস মোহনবাগান গ্যালারিতে। কারণ ম্যাচের ফল একই থাকলে ফের ট্রফি ঘরে তুলবে মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট। সেই ইঙ্ক তো তাঁরা ভালভাবেই জানেন। প্রতিপক্ষ যেখানে চিরপ্রতিপক্ষ সেখানে এই উল্লাস স্বাভাবিক। এর মধ্যে বারবার চেষ্টা করেও গোলের দরজা খুলতে পারেনি মোহনবাগান।
সমতা ফেরাল ইস্টবেঙ্গল
গোল সেই এজেজ্জারির। আনওয়ার আলির রক্ষণ ভেদ করা সেই লম্বা পাস খুঁজে নেয় মরক্কোর স্ট্রাইকারকে। তিনি ছুটে আসা গোলরক্ষককে কাটিয়ে অত্যন্ত শান্তভাবে বলটি ফাঁকা জালে জড়িয়ে দেন।
শেষ ৪৫ মিনিটে ইস্টবেঙ্গলকে জিততে কী করতে হবে?
ইস্টবেঙ্গল ১ গোলে পিছিয়ে। ফলে তাদের এক নয় ২ গোল করতে হবে। চাপ বাড়ছে। অন্যদিকে সহজ সুযোগ নষ্ট করে চলেছেন জেসন কামিন্সরা। ফলে কলকাতার দুই দলই পিছিয়ে রয়েছে।
৩টে সুযোগ নষ্ট কামিন্সের
একের পর এক সহজ সুযোগ নষ্ট করে চলেছেন অস্ট্রেলিয়ান বিশবকাপার। প্রথমার্ধের শেষে গোলশূন্য মোহনবাগান বনাম স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি ম্যাচ।
সুযোগ পেয়েছিল দিল্লি
ডান প্রান্ত থেকে পাওয়া একটি ফ্রি-কিক থেকে বক্সের ভেতর ক্রস বাড়ালেন ব্র্যান্ডন। সাহিল পানওয়ারের সামনে ছিল সম্পূর্ণ উন্মুক্ত এক হেডের সুযোগ, কিন্তু তিনি বলটি লক্ষ্যের দিকে পাঠাতে পারলেন না। অবিশ্বাস্য হতাশায় তিনি মাঠের ঘাসের ওপর লুটিয়ে পড়লেন।
বিপদ বাড়ছে ইস্টবেঙ্গলের
একের পর এক আক্রমণ ইন্টার কাশীর। পিছিয়ে পড়েছে লাল-হলুদ। ম্যাচের ফল এওরম থাকলে চ্যাম্পিয়ন হবে মোহনবাগান।
১৪ মিনিটে গোল খেল ইস্টবেঙ্গল
আলফ্রেড প্লানাসের প্রথম ভলিতে ইন্টার কাশী এগিয়ে গেল! লেফট ব্যাক ডেভিড রক্ষণভাগের বাইরে ফাঁকা জায়গায় একটি ক্রস দেন। প্লানাস সাইডফুটে বল জালে জড়ান।
৬ মিনিটে দারুণ আক্রমণ
কর্নার থেকে বিপিন সিং বলটা দেন ইউসেফ এজেজারিকে। তিনি হেড দিয়ে বলটা দেন ইউসেফকে। ফার্স্ট পোস্টে বলটা পেয়ে ব্যাকভলি করেন। কিন্তু গোলকিপারের পায়ে আটকে যায়। গোল পেতে পারত লাল-হলুদ।