আইএফএ শিল্ডের ফাইনালের আজ মুখোমুখি মোহনবাগান বনাম ইস্টবেঙ্গল- পিটিআই ফাইল ছবিআজ আরও একটি কলকাতা ডার্বি। IFA শিল্ডের ফাইনালে মুখোমুখি হতে চলেছে মোহনবাগান (Mohun Bagan Super Giant) ও ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC)। ডুরান্ড কাপের ফাইনালের বদলা নেওয়ার বড় সুযোগ আজ মোহনবাগানের কাছে। এই মরশুমের অন্যতম হাইভোল্টেজ ম্যাচ।
আজ কখন ও কোথায় কলকাতা ডার্বি হবে?
সল্টলেকে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে সন্ধে ৬টা ১৫ মিনিটে মুখোমুখি হবে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল। ৯০ মিনিটে ম্যাচ শেষ না হলে ফুটবলের নিয়ম অনুযায়ী এক্স্ট্রা টাইম ও দরকারে পেনাল্টি শুটআউট হবে। এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি বার আইএফএ শিল্ড জিতেছে ইস্টবেঙ্গল, ২৯ বার। মোহনবাগান জিতেছে ২১ বার।
মোবাইলে কীভাবে ম্যাচ দেখা যাবে?
IFA শিল্ডের ফাইনাল FanCode-য়ে লাইভ স্ট্রিমিং হবে। মোবাইল, ল্যাপটপ বা অন্যান্য ডিভাইসের মাধ্যমে অনলাইনে ম্যাচ দেখতে পারবেন। ম্যাচের লাইভ আপডেটও বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাবে। এছাড়াও bangla.aajtak.in অর্থাত্ আমাদের ওয়েবসাইটেও ম্যাচের বিস্তারিত আপডেট পেয়ে যাবেন।
বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন টুর্নামেন্ট
ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন ফুটবল টুর্নামেন্টের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আইএফএ শিল্ড। প্রথমে রয়েছে ডুরান্ড কাপ। ১৮৯৩ সালে ইন্ডিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন গঠিত হয়। ওই বছর থেকেই শিল্ড শুরু হয়। ১৯১১ সালে এই ইংরেজ টিমকে খালি পায়ে খেলে হারিয়ে শিল্ড জিতেছিল মোহনবাগান। যা আজও ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে গর্বের। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম সংগ্রাম হিসেবেও এই ম্যাচকে অনেকে অভিহিত করেন।
ব্রাজিল, উরুগুয়ের বিরুদ্ধে খেলার পরেই কলকাতা ডার্বি
চাপের সূচি দুই দলের কাছেই উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে মোহনবাগানের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ব্রাজিল ও উরুগুয়ের বিরুদ্ধে ভারতের পরপর দুইটি প্রীতি ম্যাচ খেলে জাতীয় দল থেকে একাধিক ফুটবলার সদ্য দলে ফিরেছেন। জাতীয় দলের হয়ে খেলার পর মোহনবাগানে যোগ দিয়েছেন মনবীর সিং, সাহাল আবদুল সামাদ, আপুইয়া, অনিরুদ্ধ থাপা এবং অভিষেক সিং। মাত্র ৭৮ ঘণ্টার ব্যবধানে তাঁরা দুটি হাই-ইনটেনসিটি ম্যাচ খেলেছেন। ফুটবলারদের অতিরিক্ত খেলার চাপের দিকে নজর রাখছে মোহনবাগান কোচ প্যানাজিওটিস ডিলম্পেরিসের কোচিং স্টাফ। ম্যাচে কে কতক্ষণ খেলবেন, তা ফুটবলারদের শারীরিক সতেজতা পর্যালোচনা করার পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ডিলম্পেরিস বলেন, 'আমি এবং আমার সহকারীরা, বিশেষ করে সহকারী কোচ, ফুটবলারদের খেলার চাপ মাপার কাজ করছি। তাঁরা কলকাতা লিগ, আইএফএ শিল্ড এবং জাতীয় দলের হয়ে অনেক মিনিট খেলেছেন।'