
গোটা বিশ্বে ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন বৈভব সূর্যবংশী। ইংল্যান্ড সফরে ভারতীয় দলে জায়গা পাওয়ার পর থেকেই এই সিরিজের টিকিটে বিক্রি হু হু করে বেড়ে গিয়েছে। হবে নাই বা কেন? শুধু তো সাধারণ দর্শক নয়, ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটাররাও তাঁর ব্যাটিং দেখার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন। সকলেই একমত যে এই কিশোর ব্যাটসম্যান শুধু রানই করেন না, বরং ম্যাচের পুরো পরিবেশটাই বদলে দেন।
প্রাক্তন ক্রিকেটাররাও মুখিয়ে
আইপিএলে তাঁর পারফরম্যান্সের সুবাদে টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা করে নিয়েছেন ১৫ বছরের কিশোর। এক ভাষ্যকার তো এমনও বলেছেন, 'ইসিবি এতে আনন্দিত হবে, কারণ এর ফলে টিকিট বিক্রি আরও বাড়বে।' মার্ক বুচার এমনকি সরাসরি টিকিট বিভাগকে এ কটি বার্তা পাঠিয়েছেন: 'ইসিবি খুব খুশি হবে... এই লোকটা স্টেডিয়াম ভর্তি করে ফেলবে।' অর্থাৎ, ক্রিকেটের চেয়ে 'বৈভব প্রভাব'ই বেশি দেখা যাবে।
লিয়াম লিভিংস্টোনের মতো খেলোয়াড়রা জানিয়েছেন, বৈভব নেটেও ঠিক তাই করেন যা তিনি ম্যাচে করেন। সরাসরি আক্রমণ। আর প্যাট কামিন্সের পরিস্থিতি আরও বেশি মজার। 'আমি বুঝতেই পারছি না ওকে কোথায় বল করব।' অর্থাৎ, বোলারের পরিকল্পনা নয়, এখন বৈভবের মেজাজই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে। আর সেটা যে কতটা সত্যি তা বোঝা যায় তাঁর স্ট্রাইক রেট দেখলেই। পুরো আইপিএল টুর্নামেন্টে ২৩৭+ স্ট্রাইক রেট নিয়ে খেলেছেন। পাশাপাশি সর্বাধিক রান, সর্বাধিক ছক্কার রেকর্ডও গড়েছেন।
ইংল্যান্ডে আসল পরীক্ষা
এখন ব্যাপারটা শুধু প্রতিভার নয়, মেজাজেরও। ইংল্যান্ডের সুইং, মেঘলা আকাশ আর কঠিন উইকেট, নাকি বৈভবের সেই পুরোনো শৈলী? একটা বিষয় নিশ্চিত লোকেরা স্টেডিয়ামে ম্যাচ দেখার চেয়ে ওই ১৫ বছর বয়সী ছেলেটির তৈরি করা ঝড় দেখতেই বেশি আসবে। বৈভবের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ শুধু তার রান বা স্ট্রাইক রেট নয়, বরং তার প্রভাব। ধারাভাষ্যকাররা তাকে এ মন একজন ব্যাটসম্যান হিসেবে বর্ণনা করেছেন যিনি ম্যাচের গতিপথ এবং পুরো পরিবেশটাই পাল্টে দিতে পারেন। তিনি বোলারদের জন্য অনিশ্চয়তার উৎস, দর্শকদের জন্য রোমাঞ্চ এবং আয়োজকদের জন্য এক বড় বাণিজ্যিক আকর্ষণ।
ইংল্যান্ড সফরে ভারত (টি-টোয়েন্টি)
১ জুলাই: প্রথম টি-টোয়েন্টি, চেস্টার-লে-স্ট্রিট
৪ জুলাই: দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি, ম্যানচেস্টার
৭ জুলাই: তৃতীয় টি-টোয়েন্টি, নটিংহ্যাম
৯ জুলাই: চতুর্থ টি-টোয়েন্টি, ব্রিস্টল
১১ জুলাই: পঞ্চম টি-টোয়েন্টি, সাউদাম্পটন