প্রতীকী ছবি হাতে মাত্র দিন সাতেক সময়। তারপরই নতুন জামা পড়ে ঠাকুর দেখার পালা। কিন্তু শুধু নতুন পোশাক পরলেই তো হবে না, থাকতে হবে ত্বকের জেল্লাও। এই অল্প সময়ের মধ্যে কী এমন করলে আপনি হয়ে উঠবেন অনন্য। বিশেষজ্ঞদের টিপস জেনে নিন।
পুজোর আগে ওজন কমানো নিয়ে অনেকেই খুব চিন্তিত হয়ে পড়েন। তবে একান্তই মেদ না ঝড়লে জেল্লা ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা চলতে থাকে। দুর্গাপুজোয় সেরা সাজটা যেন আমারই হয়, মনে মনে এই আশা থাকে অধিকাংশেরই।
পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন, অল্প সময়ের মধ্যেও বডি টোনিং এবং ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ানো যেতে পারে। এর জন্য প্রয়োজন নিয়মানুবর্তিতা। ষষ্ঠী থেকে দশমী রুটিনের দফারফা হওয়ার আগে তাই এই ক'টা দিন শরীরচর্চা আর খাওয়াদাওয়া সময়মতো হওয়া উচিত।
এই ৭ দিন জিম কোনওমতেই মিস করা যাবে না। একান্ত সম্ভব না হলে বাড়িতেই ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করতে হবে। যেহেতু সময় খুবই কম, স্পট জগিংও করতে পারেন। এতে মেদও ঝরে এবং পেশিও সক্রিয় থাকে। পাশাপাশি দিনে ৪০ মিনিট করে হাঁটাও আবশ্যক।
নতুন পোশাক পরলে যাতে আপনাকে সকলের থেকে আলাদা দেখায় তার জন্য সুষম আহার করতে বলছেন পুষ্টিবিদরা। খাবারের মধ্যে প্রোটিন, ফ্যাট এবং কার্বোহাইড্রেটের ভারসাম্য জরুরি। তবে এই ৭ দিনে প্রোটিন এবং ফাইবারের পরিমাণ বাড়িয়ে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কমাতে পরামর্শ দিচ্ছেন নিউট্রিশনিস্টরা। সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খাওয়া বাধ্যতামূলক। দিনে প্রায় সাড়ে ৩ লিটার জল পান করতে হবে। এতে ত্বকের জেল্লাও বজায় থাকবে। এছাড়াও প্রতিদিন ফল, সবজি যোগ করতে হবে ডায়েটে। এড়িয়ে চলতে হবে মিষ্টি, কেক, চকোলেট এবং কুকিজ। ফাস্ট ফুড এই ৭ দিন এড়িয়ে চলতে হবে কারণ পুজোর সময়ে দেদার খাওয়া হবে রোল, চাউমিন মোগলাই। নিতান্তই যদি বাইরের খাবার খেতে হয় তাহলে এই ক'দিন তন্দুরি, কাবাব, মোমো জাতীয় খাবার খাওয়ার পরামর্শ।
এই সমস্ত নিয়মই তাঁদের জন্য, যাঁরা বিশেষ কোনও রোগে আক্রান্ত নন। ডায়াবিটিস, কিডনির অসুখ বা কোনও দীর্ঘকালীন অসুস্থতা থাকলে নিজেদের চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের সঙ্গে কথা বলে ডায়েট এবং ব্যায়ামের রুটিন ঠিক করতে হবে।