ডিমের খোসায় ৯০ শতাংশেরও বেশি ক্যালসিয়াম কার্বোনেট এবং বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থ থাকে।5 Uses of Eggshells: সকালের জলখাবারে ডিম সেদ্ধ হোক বা অমলেট, খাওয়ার পর খোসা সাধারণত সোজা চলে যায় ডাস্টবিনে। এই ফেলে দেওয়া জিনিসও বাড়ির নানা কাজে লাগতে পারে। ডিমের খোসায় ৯০ শতাংশেরও বেশি ক্যালশিয়াম কার্বনেট থাকে। তাই ঠিক ভাবে ব্যবহার করলে বাগানের পরিচর্যা থেকে শুরু করে কিছু ঘরোয়া কাজেও কাজে আসতে পারে এটি। কী ভাবে ব্যবহার করবেন ডিমের খোসা? রইল পাঁচটি সহজ উপায়।
১. গাছের মাটিতে মেশান
ডিমের খোসা ধুয়ে ভাল করে শুকিয়ে নিন। তার পর গুঁড়ো করে অল্প পরিমাণে গাছের মাটিতে মেশাতে পারেন। খোসায় থাকা ক্যালশিয়াম মাটিতে ধীরে ধীরে মিশতে পারে। তবে খোসা দিলেই গাছ দ্রুত বড় হবে, এমন নয়। গাছের প্রয়োজন বুঝে সার ব্যবহার করা জরুরি।
২. মিক্সির জার
মিক্সির জারে অনেক সময় খাবারের গন্ধ বা ময়লা জমে যায়। শুকনো ডিমের খোসা দিয়ে ব্লেড ধার দেওয়া যায়। তবে এতে ব্লেড নতুনের মতো ধারালো হয়, এমনও নয়।
৩. বাসন পরিষ্কারে কাজে
কড়াইয়ে পোড়া খাবার লেগে গেলে ডিমের খোসা গুঁড়িয়ে ঘষার কথা অনেকে বলেন। কিন্তু খোসার ধারালো কণা বাসনে আঁচড় ফেলতে পারে। তাই নন-স্টিক বাসনে এটি ব্যবহার করবেন না। পোড়া দাগ তুলতে গরম জল ও বাসন মাজার তরল ব্যবহার করাই নিরাপদ।
৪. বাগানে পোকা আটকাতে
গাছের গোড়ায় ডিমের খোসার টুকরো ছড়িয়ে রাখার চল রয়েছে। অনেকে মনে করেন, এতে শামুকের মতো কিছু পোকা দূরে থাকে। তবে এই পদ্ধতি সব ক্ষেত্রে কার্যকর নয়। গাছ বাঁচাতে নিয়মিত পাতা পরীক্ষা করুন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা নিন।
৫. ছোট চারাগাছ তৈরির পাত্র
ডিমের খোসার ভিতরে মাটি ভরে ধনেপাতা, লঙ্কা বা টম্যাটোর বীজ বুনতে পারেন। চারাগাছ একটু বড় হলে খোসা ভেঙে শিকড়ের ক্ষতি না করে মাটিতে বসান। খোসা পচতে সময় লাগে, তাই সেটিকে দ্রুত সার ভেবে নেওয়া ঠিক নয়।