Neem Patar Bhorta: সুগার কমবে, শক্তি বাড়বে! মুখরোচক ভর্তা বানিয়ে খান এই পাতার

Neem Leaves Benefits: নিম পাতা মানেই তেতো স্বাদ! তাই অনেকেই পাতে নিম দেখলে মুখ ব্যাঁকান। কিন্তু সামান্য কৌশলে এই তেতো পাতাকেই করে তোলা যায় মুখরোচক।

Advertisement
সুগার কমবে, শক্তি বাড়বে! মুখরোচক ভর্তা বানিয়ে খান এই পাতারসামান্য কৌশলে এই তেতো পাতাকেই করে তোলা যায় মুখরোচক।
হাইলাইটস
  • নিম পাতা মানেই তেতো স্বাদ!
  • অনেকেই পাতে নিম দেখলে মুখ ব্যাঁকান।
  • সামান্য কৌশলে এই তেতো পাতাকেই করে তোলা যায় মুখরোচক।

Neem Leaves Benefits: নিম পাতা মানেই তেতো স্বাদ! তাই অনেকেই পাতে নিম দেখলে মুখ ব্যাঁকান। কিন্তু সামান্য কৌশলে এই তেতো পাতাকেই করে তোলা যায় মুখরোচক। গরম ভাতের সঙ্গে নিম ভর্তা খেতে বেশ ভাল লাগে। শুধু স্বাদ নয়, নিমের সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগুণের জন্যও বহু দিন ধরে ঘরোয়া খাবারে জায়গা রয়েছে এই পাতার।

বাঙালির রান্নায় ভর্তা বা বাটা খাবারের কদর কম নয়। আলু, বেগুন কিংবা শাকের ভর্তার পাশাপাশি নিম পাতার ভর্তাও হতে পারে অন্য রকম পদ। বিশেষ করে যাঁরা তেতো খাবার একেবারেই পছন্দ করেন না, তাঁদের জন্যও এই পদ এক বার চেখে দেখা যেতে পারে।

নিম পাতার ভর্তা কীভাবে বানাবেন?
নিম ভর্তা বানাতে খুব বেশি উপকরণ লাগে না। প্রয়োজন টাটকা নিম পাতা, অল্প সর্ষের তেল, নুন এবং স্বাদ অনুযায়ী কাঁচালঙ্কা। কেউ কেউ পেঁয়াজও ব্যবহার করেন। তবে উপকরণ নিজের পছন্দমতো বদলে নেওয়া যায়।

প্রথমে নিম পাতা ভাল করে ধুয়ে নিতে হবে। তার পরে জল ঝরিয়ে পাতাগুলি শুকিয়ে নিন। অল্প তেলে পাতাগুলি ভেজে নেওয়া যায়। তবে বেশি ক্ষণ ভাজলে পাতার স্বাদ ও গন্ধ বদলে যেতে পারে। ভাজা পাতা ঠান্ডা হলে নুন, কাঁচালঙ্কা এবং সামান্য সর্ষের তেল দিয়ে বেটে নিন। চাইলে অল্প পেঁয়াজ মিশিয়েও নিতে পারেন। তৈরি নিম ভর্তা গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

নিম কি সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে?
নিমের পাতা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে কি না, তা নিয়ে গবেষণা হয়েছে। ২০২০ সালে প্রকাশিত একটি ছোট মানব-পরীক্ষায় দেখা গিয়েছিল, নির্দিষ্ট মাত্রায় তৈরি নিম পাতার নির্যাস ডায়াবিটিসে আক্রান্ত কিছু মানুষের রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করেছে। তবে ওই গবেষণায় সাধারণ নিম ভর্তা খাওয়ার প্রভাব পরীক্ষা করা হয়নি। তাই নিম ভর্তা খেলেই সুগার কমবে, এমন দাবি করার যথেষ্ট প্রমাণ নেই। ​

Advertisement

ডায়াবিটিস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা এবং নিয়মিত রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা জরুরি। নিম পাতা খাওয়ার জন্য কখনও নিজের ইচ্ছায় ওষুধ বন্ধ করা বা তার মাত্রা বদলানো উচিত নয়।

নিমে কিছু জৈব সক্রিয় উপাদান রয়েছে। গবেষণায় নিমের নির্যাসের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং প্রদাহ কমানোর সম্ভাব্য গুণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু শুধু নিম ভর্তা খেলেই বয়সের ছাপ কমবে কিংবা যৌবন ধরে রাখা যাবে, এমন প্রমাণ এখনও নেই। সুস্থ থাকতে সুষম খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা, পর্যাপ্ত ঘুম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।  

POST A COMMENT
Advertisement