NCISM circular: আয়ুর্বেদ, ইউনানি ডাক্তারদের 'তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য' করলেই কড়া শাস্তি, ঠিক কী জানাল NCISM?

আয়ুর্বেদ, ইউনানি ও অন্য়ান্য সিস্টেমের ডাক্তারদের ছোট করা যাবে না। সেটা করলেই কড়া শাস্তির মুখে পড়া সম্ভব। নয়া নির্দেশিকা জারি NCISM-এর।

Advertisement
আয়ুর্বেদ, ইউনানি ডাক্তারদের 'তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য' করলেই কড়া শাস্তি, ঠিক কী জানাল NCISM?আয়ুর্বেদ ডাক্তারদের ছোট করলে কী হবে?
হাইলাইটস
  • আয়ুর্বেদ, ইউনানি ও অন্য়ান্য সিস্টেমের ডাক্তারদের ছোট করা যাবে না
  • সেটা করলেই কড়া শাস্তির মুখে পড়া সম্ভব
  • নয়া নির্দেশিকা জারি NCISM-এর

আয়ুর্বেদ, ইউনানি সহ বিভিন্ন সিস্টেমের চিকিৎসকদের 'কোয়্যাক' বা 'ভুয়ো ডাক্তার' বলে কটাক্ষ করা হয় বলে দীর্ঘদিনের অভিযোগ। কিন্তু এতদিন সর্বসমক্ষে এমন তীর্যক মন্তব্য করলেও কোনও কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নজির ছিল না। তবে এবার বিষয়টা নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ন্যাশনাল কমিশন ফর ইন্ডিয়ান সিস্টেম অব মেডিসিন (এনসিআইএসএম)। এখন থেকে ভারতীয় সিস্টেমের চিকিৎসকদের নিয়ে খারাপ কথা বললে বা লিখলেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে হুঁশিয়ারি দিয়েছে কমিশন।

এই মর্মে একটি নির্দেশিকা প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে কমিশন জানিয়েছেন, তাদের নজরে এসেছে যে, ব্যাচেলর অফ আয়ুর্বেদিক মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি (বিএএমএস), ব্যাচেলর অফ ইউনানি মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি (বিইউএমএস), ব্যাচেলর অফ সিদ্ধ মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি (বিএসএমএস) এবং ব্যাচেলর অফ সোয়া-রিগপা মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি (বিএসআরএমএস) এর মতো স্বীকৃত ডিগ্রিধারী, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রশিক্ষিত এবং রেজিস্টার চিকিৎসকদের বিভিন্ন সময় সম্মানহানী করা হয়। তাঁদের প্রিন্ট মিডিয়া ও ইলেকট্রনিক সংবাদমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা জনসমক্ষে 'কোয়্যাক' বা 'ভুয়ো ডাক্তার' বলা হচ্ছে। এর ফলে তাঁরা সম্মানহানি ও মানহানির শিকার হচ্ছেন।

এই প্রেক্ষিতে এনআইসিএসএম স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে যে, ইন্ডিয়ান মেডিসিন সেন্ট্রাল কাউন্সিল অ্যাক্ট, ১৯৭০ (আইএমসিসি অ্যাক্ট) এবং এনআইসিএসএম অ্যাক্ট, ২০২০-এর অধীনে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের স্টেট কাউন্সিলে যথাযথভাবে রেজিস্টার চিকিৎসকরা আইনত স্বীকৃত। এনআইসিএসএম অ্যাক্ট, ২০২০ ভারতীয় চিকিৎসা পদ্ধতির ডাক্তারদের আইনত প্র্যাকটিস করার স্বাধীনতা দেয়। 

তাই এমন চিকিৎসকদের কোয়্যাক বা ভুয়ো ডাক্তার বলে দেওয়ার কোনও আইনি ভিত্তি নেই। কোনও ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, সংবাদমাধ্যম বা কর্তৃপক্ষ যদি প্রকাশ্যে এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করে, তবে তা এনআইসিএসএম অ্যাক্ট, ২০২০-এর অধীনে এই চিকিৎসকদের প্রাপ্ত আইনি স্বীকৃতির পরিপন্থী হতে পারে। 

এনআইসিএসএম আবার স্পষ্ট করছে যে, ভারতীয় চিকিৎসা পদ্ধতিতে যথাযথভাবে প্রশিক্ষিত ও রেজিস্টার চিকিৎসকরা আইনত স্বাস্থ্যসেবা দিতে পারেন।

আর এই নির্দেশিকা সামনে আসার পরই খুশি রাজ্যের আয়ুর্বেদ চিকিৎসকেরা। এই প্রসঙ্গে  অখিল ভারতীয় আয়ুর্বেদ মহাসম্মেলনের রাজ্য সভাপতি ডা: সুমিত সুর বলেন, ' এনআইসিএসএম অ্যাক্ট, ২০২০-তে বলা আছে, আমরা চিকিৎসার অঙ্গ হিসেবে ফিট সার্টিফিকেট, ডেথ সার্টিফিকেট সহ আইন অনুযায়ী অনেক সার্টিফিকেট দিতে পারি। তবে অনেক ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি, মিডিয়া আয়ুর্বেদ চিকিৎসকদের নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য় করে। তাদেরকে সতর্ক করল দেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়ন সংস্থা। ধন্যবাদ সবাইকে।'

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement