সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত ডাক্তাররাও, অক্সিজেন কমছে রোগীদেরও, পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ?

দিল্লির একটি সরকারি হাসপাতালে বিপজ্জনক চিত্র সামনে এসেছে। এই হাসপাতালে প্রধান সহ বেশ কয়েকজন ডাক্তার ও অন্যান্যরা H1N1 ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর মিলছে। শুধু তাই নয়, গোটা অঞ্চলে সংক্রমণের সংখ্যা যেমন বাড়ছে, ঠিক তেমনই চিকিৎসকদের কাছে ফ্লু-এর মতো উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

Advertisement
সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত ডাক্তাররাও, অক্সিজেন কমছে রোগীদেরও, পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ?সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত বাড়ছে
হাইলাইটস
  • দিল্লির একটি সরকারি হাসপাতালে বিপজ্জনক চিত্র সামনে এসেছে
  • এই হাসপাতালে প্রধান সহ বেশ কয়েকজন ডাক্তার ও অন্যান্যরা H1N1 ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর মিলছে
  • চিকিৎসকদের কাছে ফ্লু-এর মতো উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে

ফের দেশে থাবা বসিয়েছে H1N1 ভাইরাস বা সোয়াইন ফ্লু। যার ফলে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বলে খবর মিলছে। ইতিমধ্যেই দিল্লিতে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর তাতেই চিন্তিত চিকিৎসকেরা। তাঁরা সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। 

ইতিমধ্যেই দিল্লির একটি সরকারি হাসপাতালে বিপজ্জনক চিত্র সামনে এসেছে। এই হাসপাতালে প্রধান সহ বেশ কয়েকজন ডাক্তার ও অন্যান্যরা H1N1 ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর মিলছে। শুধু তাই নয়, গোটা অঞ্চলে সংক্রমণের সংখ্যা যেমন বাড়ছে, ঠিক তেমনই চিকিৎসকদের কাছে ফ্লু-এর মতো উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

মাথায় রাখতে হবে, সোয়াইন ফ্লু অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাস। তাই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এটা ছড়িয়ে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। 

আর সবথেকে ভয়ের বিষয় হল, কিছু রোগীর রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বেশ কিছুটা কমে যাচ্ছে। ফলে গুরুতর শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা শুরু হচ্ছে। আর এটাই চিন্তা বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের।

H1N1-এর উপসর্গ কী কী?
H1N1 বা সোয়াইন ফ্লু নতুন কোনও অসুখ নয়। প্রতিবছরই এই রোগে অনেক মানুষ আক্রান্ত হন। আর এই ফ্লুয়ের ক্ষেত্রে কয়েকটি লক্ষণ প্রকট হয়, যেমন ধরুন- জ্বর, শুকনো কাশি, শরীরে ব্যথা, মাথা ব্যথা, গলা ব্যথা, কাঁপুনি এবং অতিরিক্ত ক্লান্তি ইত্যাদি।

তবে কিছু ক্ষেত্রে ইনফেকশন বাড়াবাড়ি পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাচ্ছে। শুরু হচ্ছে শ্বাসকষ্ট। যার ফলে রোগীর শরীরের হাল খারাপ হচ্ছে। 

কী করতে হবে? 
তাই এখন সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষত, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, দীর্ঘদিন ধরে জ্বর, বিভ্রান্তি, ঠোঁট নীল হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। এছাড়া জ্বরের পাশাপাশি শরীর যদি দ্রুত গতিতে খারাপ হয়, তাহলেও ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। 

কারা সাবধান? 
এই ভাইরাস সবাইকে বিপদে ফেলতে পারে। তবে কিছু ক্ষেত্রে বিপদ অনেকটাই বেশি। যেমন ধরুন- বয়স্ক মানুষ, শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের সমস্যার আশঙ্কা বেশি। এছাড়া ডায়াবেটিস, দীর্ঘদিনের হার্টের অসুখ, ক্যান্সার, ফুসফুসের রোগ বা দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে, এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও সংক্রমণ গুরুতর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই এই সব সমস্যা থাকলে সাবধান হন।

Advertisement

রোগ থেকে বাঁচবেন কীভাবে? 
হাঁচি, কাশির মাধ্যমে এই রোগটা ছড়িয়ে যেতে পারে। তাই মুখে মাস্ক পরতে হবে। সেই সঙ্গে হাত পরিষ্কার রাখুন। অসুস্থ হলে পরিবারের অন্যান্যদের থেকে একটু দূরত্ব রাখুন। তাহলেই সুস্থ থাকতে পারবেন।

 

POST A COMMENT
Advertisement