মুসুর ডালের সহজ রেসিপি শিখে নিন। South Indian Musur Daal: তেমন কিছু বাজার নেই। এদিকে চটজলদি কিছু বানাতে হবে। তখন এই রেসিপি কাজে আসতে পারে। একেবারে সহজ পদ্ধতিতে দক্ষিণ ভারতীয় কায়দায় মুসুর ডাল বানান। সঙ্গে একটু পাঁপড় বা ডিম ভেজে নিলেই জম্পেশ খাওয়া হবে। সবচেয়ে বড় কথা হল, এর জন্য় আলাদা করে ফোড়নেরও ঝামেলা নেই। এক প্রেসার কুকারেই রান্না খতম।
আগে থেকে ডাল ভিজিয়ে রাখলে ভাল
মুসুর ডাল ভাল করে ধুয়ে নিন। তার পর অন্তত কয়েক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। সময় থাকলে আগের রাতেই জলে ভিজিয়ে রাখতে পারেন।
ভেজানো ডাল রান্না হতে তুলনামূলক কম সময় লাগে। ডাল ভালভাবে সেদ্ধ হয়।
সর্ষে-কারিপাতার ফোড়নই আসল
প্রেশার কুকারে সামান্য সর্ষের তেল দিন। তেল গরম হলে ১০-১৫টি গোটা কালো সর্ষে দিন। সঙ্গে সম পরিমাণে গোটা সাদা জিরে দিন।
এবার প্রায় ১০টি কারিপাতা দিন। সাবধানে দেবেন। তেলে কারিপাতা পড়লে ছিটকে আসতে পারে।
এর পর একটি টম্যাটো কুচি এবং দু’টি চেরা কাঁচালঙ্কা দিন। এক চা-চামচ হলুদও মিশিয়ে দিন। চাইলে একটি ছোট পেঁয়াজ কুচি দিতে পারেন। তবে পেঁয়াজ না দিলেও হবে।
আঁচ কমিয়ে মশলাগুলি কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করুন। টম্যাটো একটু নরম হয়ে এলে বুঝবেন ফোড়ন তৈরি।
এবার ডাল দিয়ে দিন
ভেজানো ডাল জল ঝরিয়ে কুকারে দিয়ে দিন। প্রয়োজন মতো জল দিন। সঙ্গে স্বাদ অনুযায়ী নুন এবং সামান্য চিনি দিন। মনে রাখবেন, ডাল বাড়বে। তাই একটু কমই নুন দেবেন।
এবার কুকারের ঢাকনা বন্ধ করে দিন। মাঝারি আঁচে প্রায় চারটি সিটি দিন। গ্যাস বন্ধ করে চাপ নিজে থেকে কমতে দিন।
কুকারের প্রেসার পুরোপুরি বেরিয়ে গেলে ঢাকনা খুলুন। ডাল খুব ঘন হয়ে গেলে সামান্য গরম জল মিশিয়ে নিতে পারেন। আবার বেশি পাতলা হয়ে গেলে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিন।
শেষে পাতিলেবুর রস
ডাল একটু ঠান্ডা হওয়ার পর তাতে বেশ খানিকটা পাতিলেবুর রস দিন। নিজের পছন্দ অনুযায়ী কম-বেশি করতে পারেন।
লেবু দেওয়ার পর ডালটি ভাল করে মিশিয়ে নিন। রান্নার একেবারে শেষে লেবুর রস দিলে টাটকা টক স্বাদ পাওয়া যায়।পাতিলেবু জাতীয় ফলে ভিটামিন C-ও থাকে।
যাঁরা লেবুর বদলে অন্য টক স্বাদ পছন্দ করেন, তাঁরা অল্প তেঁতুলের জল ব্যবহার করতে পারেন। সেটাই দক্ষিণী রীতি।তবে সব সময় বাড়িতে তেঁতুল থাকে না। সেক্ষেত্রে পাতিলেবু দিলেই যথেষ্ট।
গরম ভাতের সঙ্গে এই ডাল পরিবেশন করুন। সাধারণ মুসুর ডালের থেকে অনেকটাই আলাদা স্বাদ পাবেন।