
ময়দা মাখার পদ্ধতিই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। Crispy Samosa Recipe: বিকেলের আড্ডায় চায়ের সঙ্গে সিঙাড়া থাকলে জমে যায়। আলুর পুরে ভরা গরম, মুচমুচে সিঙাড়া দেখলেই জিভে জল আসে। কিন্তু বাড়িতে সিঙাড়া বানাতে গিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েন। বাইরেটা শক্ত ও খাস্তা হওয়ার বদলে নরম হয়ে যায়। কখনও আবার ভাজার পর ময়দার খোলস শক্ত হয় না। লুচির মতো গায়ে বুদবুদ ফুলে ওঠে। অথচ কয়েকটি সহজ নিয়ম মানলেই বাড়িতে দোকানের মতো মুচমুচে সিঙাড়া বানানো যায়। সত্যি বলতে, দোকানের চেয়েও ভাল হয়। ময়দা মাখার পদ্ধতিই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নয় তো বাড়ির সাধারণ সাদা তরকারি পুর করেও ভাল সিঙাড়া হয়। ভাল সাদা তরকারির রেসিপি পেতে CLICK HERE
১. ময়দায় ঘি
সিঙাড়ার খোলস খাস্তা করতে প্রথমেই ময়দার সঙ্গে পরিমাণমতো ঘি মেশান। স্বাদ বাড়াতে সামান্য চিনি, নুন এবং অল্প বেকিং পাউডার দিতে পারেন। এ বার হাত দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি এমন হবে, যাতে মুঠো করে ধরলে ময়দা দলা পাকিয়ে থাকে। ঘির পরিমাণ কম হলে সিঙাড়া মুচমুচে নাও হতে পারে।
২. অল্প জলে ময়দা মাখুন
এবার অল্প অল্প করে জল দিয়ে ময়দা মাখুন। তবে খেয়াল রাখবেন, ময়দা যেন নরম না হয়ে যায়। লুচি বা পরোটার মতো নরম ডো তৈরি করবেন না। সিঙাড়ার জন্য প্রয়োজন শক্ত এবং টাইট ময়দার তাল। বেশি জল দিলে ভাজার পর খোলস নরম হয়ে যেতে পারে।
৩. ময়দা মেখে কিছুক্ষণ রাখুন"
ময়দা মাখার পর অন্তত ৩০ মিনিট ঢেকে রেখে দিন। তার পর আবার ভাল করে ঠেসে মেখে নিন। আরও ১০ মিনিট বিশ্রাম দিলে ময়দা বেলার জন্য উপযুক্ত হবে।
৪. বেলার সময় মাথায় রাখবেন
ময়দা খুব পাতলা করে বেলবেন না। আবার অতিরিক্ত মোটা হলেও চলবে না। মাঝারি পুরুত্ব রাখুন। অনেকটা রুটির মতো। তাতে সিঙাড়া ভাজার পর খোলস মুচমুচে হবে। ভিতরে কাঁচা থাকবে না।

৫. ভাজুন কম আঁচে
সিঙাড়া ভাজার সময় তাড়াহুড়ো করবেন না। কম আঁচে ধীরে ধীরে ভাজুন। বেশি আঁচে ভাজলে বাইরে রং ধরলেও ভিতরের খোলস কাঁচা থেকে যেতে পারে। এই নিয়মগুলি মানলেই বাড়িতে তৈরি সিঙাড়া হবে খাস্তা এবং মুচমুচে।