আবহাওয়ার আপডেট উত্তর-পশ্চিম, মধ্য, পূর্ব, উত্ত-পূর্ব এবং দক্ষিণ ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে শুক্রবার ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। অনেক রাজ্যেই হবে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি। কিছু এলাকায় বজ্রপাতেরও সম্ভাবনা প্রবল। নেপথ্যে রয়েছে নিম্নচাপ।
এই নিম্নচাপ উপকূলীয় পশ্চিমবঙ্গের উপর তৈরি হয়েছে। যা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর-পশ্চিম দিকে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের দিকে অগ্রসর হবে। এর প্রভাবে পূর্ব ভারতের অনেক অংশেই ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।
অন্যদিকে, মৌসুমী অক্ষরেখাটি
সক্রিয় রয়েছে এবং তার স্বাভাবিক অবস্থানের কাছাকাছি অবস্থান করছে। এর জেরে শুক্রবার দিল্লি, হরিয়ানা এবং চণ্ডিগড়ের বেশিরভাগ এলাকায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। হরিয়ানা, চণ্ডিগড় এবং দিল্লির বিস্তীর্ণ কিছু এলাকায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে IMD। দিল্লি সংলগ্ন এলাকায় দিনভর বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টিপাত হতে পারে।
কোন কোন রাজ্যে কতদিন চলবে দুর্যোগ?
১৪ থেকে ১৮ অগাস্ট পর্যন্ত গোটা উত্তরপ্রদেশ জুড়েই বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রপাত সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে IMD। ১৯ অগাস্ট পর্যন্ত হিমালচলপ্রদেশ এং উত্তরাখণ্ডে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখেও শুষ্ক আবহাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ছত্তিশগড় ও মধ্যপ্রদেশে বর্ষা প্রবল হবে। শুক্রবার এই দুই রাজ্যের অধিকাংশ এলাকাতেই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
পূর্ব ভারতে ১৪ অগাস্ট সবচেয়ে বেশি নিম্নচাপের প্রভাব পড়বে পশ্চিমবঙ্গে। ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশাতেও নিম্নচাপের গভীর প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা। বজ্রপাত সহ বৃষ্টির পাশাপাশি দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে বজ্রঝড়ের পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে। বাতাসের গতিবেগ পৌঁছতে পারে ঘণ্টায় ৫০-৬০ কিলোমিটার।
উত্তর পূর্ব ভারতে অরুণাচল প্রদেশ, অসম, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম এবং ত্রিপুরার অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। পশ্চিম ভারতের মহারাষ্ট্রেরও অনেক এলাকায় দুর্যোগের পূর্বাভাস রয়েছে।
দক্ষিণ ভারতে উপকূলীয় কর্নাটক ও কেরলমের অনেকাংশেই বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। তামিলনা়ু, পুদুচেরিতে ভারী বৃষ্টিপাত হবে। ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।
বঙ্গোপসাগরে উত্তাল পরিস্থিতি তৈরি হবে। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশে উপকূল বরাবর ঘণ্টায় ৪৫-৫৫ কিমি বেগে প্রবল বাতাস বইবে। দমকা হওয়ার গতিবেগ সর্বোচ্চ ৬৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা ছুঁতে পারে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।