চোরবাগান নিয়ে শুভেন্দুর প্রতিক্রিয়া।চোরবাগানে পদপিষ্টের ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পুজো উদ্যোক্তাদের ভূমিকা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গলাতেও শোনা গেল সেই কথা। একটি টিভি চ্যানেলে তিনি বলেন,'মাইকে পূজো কমিটির পক্ষ থেকে একটা ঘোষণার জন্যই ঘটনাটা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে খবর পেয়েছি। আমাদের এখন অগ্রাধিকার হচ্ছে ২৫ জন জখমকে সুস্থ করা। তাঁদের সুচিকিৎসা দেওয়া। সেই সঙ্গে শুভেন্দু জানান, ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২৫ জন আহত। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়,'ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি হবে। দ্রুত কারণ খুঁজে নেওয়া হবে। যা ব্যবস্থা নেওয়ার সরকার নেবে। প্রাথমিকভাবে জেনেছি, পুজো কমিটি মাইকে একটা ঘোষণা করার পরই হুড়োহুড়ি করতে শুরু করে লোকজন। তার ফলেই এই ঘটনাটি ঘটে। মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছি। তারা বলল, প্রাইভেট সিকিউরিটির লোকজন বাঁশি বাজিয়ে দিয়েছিল। সেই শুনে সবাই ছুটাছুটি হুড়োহুড়ি করে। এটা দুঃখজনক ঘটনা। শোক জানানোর ভাষা নেই'।
শুভেন্দু যোগ করেন,'পুরো সরকার একযোগে কাজ করছে। পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত পুজো কমিটিকে আমরা বলব, আপনারা পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা করুন। প্রবেশ ও বেরোনোর পথে কোনও সমস্যা থাকলে, তা দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা করুন। প্রত্যেকটি মানুষের জীবন অত্যন্ত মূল্যবান। থিম পুজোর নামে অনেক জায়গায় অন্ধকার করে দেওয়া হয়েছে। মানুষের জীবন থিমের চেয়েও বেশি মূল্যবান'।
তিনি জানান,'পুজো কমিটি ও নিরাপত্তার দায়িত্বে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের থানায় আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে। সেই সঙ্গে সংরক্ষণ করতে হবে সিসিটিভি ফুটেজ। এসটিএফ, ফরেন্সিক দল এবং দমকলের আধিকারিকেরা ঘটনাস্থলে রয়েছেন। রাজনৈতিক নেতা এবং সাংবাদিকদের অনুরোধ করছি, ফরেন্সিক যতক্ষণ না হচ্ছে, ততক্ষণ ঘটনাস্থলে যাবেন না। এতে প্রমাণ নষ্ট হতে পারে'।
রাজ্যে অমিত শাহের রবিবারের সমস্ত কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে বলেও জানালেন শুভেন্দু অধিকারী। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আহতদের সঙ্গে দেখা করতে হাসপাতালে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন।