সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা মমতা তৃণমূলেরঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ১০ বিদ্রোহী শিবিরের বিধায়কের সদস্যপদ মামলাটি হাইকোর্টই ফিরিয়ে দিল সর্বোচ্চ আদালত। একইসঙ্গে কলকাতা হাইকোর্টকে দ্রুত পদক্ষেপের বিষয়টি বিবেচনা করতে বলল সুপ্রিম কোর্ট।
এই সুপ্রিম নির্দেশের ফলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে শোভনদেবের আইনি লড়াই আপাতত নতুন মোড় নিল। সর্বোচ্চ আদালতের পরামর্শ মেনে এখন হাইকোর্টে আর্জি জানাতে পারেন শোভনদেব।
কী নিয়ে মামলা?
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের ১০ বিধায়কের বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মমতা তৃণমূলের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতে যান তিনি। সেই মামলাতেই ধাক্কা খেলেন তিনি।
প্রসঙ্গত, রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পরেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গ ছেড়ে আলাদা গোষ্ঠী করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বিদ্রোহী গোষ্ঠীতে নাম লেখান মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিমের মতো মমতা ঘনিষ্ঠ নেতারাও। পরে অনেকে আবার মমতা শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে শুরু করেন বলে দাবি ওঠে। এমতাবস্থায় দলত্যাগী বিধায়কদের পদ খারিজের আবেদন নিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় মমতা তৃণমূল কংগ্রেস। পরে বিধায়কদের পদ খারিজের আবেদন জানান শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ও। সেই মামলার শুনানিতেই এই নতুন পর্যবেক্ষণ জানাল সুপ্রিম কোর্ট। মামলা খারিজ করে আবেদনকারীকে কলকাতা হাইকোর্টে যাওয়ার রাস্তা খুলে দেয় সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়। পাশাপাশি হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতি যাতে বিশেষ একটি বেঞ্চ গঠন করেন, সেই নির্দেশও দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।