নবমীর ভোরে বাঘাযতীন বাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই বহু দোকান

দমকল সূত্রে প্রাথমিক অনুমান, বাজারের ভিতরে একটি বাতাসা তৈরির দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে ঠিক কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

Advertisement
নবমীর ভোরে বাঘাযতীন বাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই বহু দোকানবাঘাযতীনে আগুন
হাইলাইটস
  • এদিন ভোররাতে বাঘাযতীন বাজারে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়
  • আগুনের তীব্রতা ক্রমশ বাড়তে থাকায় দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল

দুর্গাপুজোর আনন্দের মধ্যেই দক্ষিণ কলকাতার বাঘাযতীন বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। মঙ্গলবার ভোররাতে আগুন লাগে বাজারে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে একের পর এক দোকানে। পুড়ে ছাই হয়ে যায় বহু দোকান ও ভিতরে থাকা সামগ্রী। পুজোর মরশুমে এই ঘটনায় বড়সড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

এদিন ভোররাতে বাঘাযতীন বাজারে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। আগুনের তীব্রতা ক্রমশ বাড়তে থাকায় দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল। আগুন যাতে বাজারের আরও অংশে ছড়িয়ে না পড়ে, সেই চেষ্টা করেন দমকলকর্মীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর হয় পুলিশও। আগুনের ভয়াবহতায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়।

দমকল সূত্রে প্রাথমিক অনুমান, বাজারের ভিতরে একটি বাতাসা তৈরির দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে ঠিক কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

পুড়ে ছাই বহু দোকান, ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা

বাঘাযতীন বাজারের এই অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। আগুনের গ্রাসে চলে যায় একের পর এক দোকান। দোকানের ভিতরে থাকা বিভিন্ন সামগ্রী পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়। পুজোর মরশুমে ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এমন বিপর্যয়ে কার্যত দিশেহারা ব্যবসায়ীরা।

বাজারের বহু ব্যবসায়ীর জীবিকা এই দোকানগুলির উপর নির্ভরশীল। সারা বছরের ব্যবসার পাশাপাশি পুজোর সময়ে বিক্রির উপরেও তাঁদের অনেকটা নির্ভর করতে হয়। সেই সময়েই আগুনে দোকান পুড়ে যাওয়ায় নতুন করে ব্যবসা শুরু করা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ এখনও স্পষ্ট নয়। আগুন সম্পূর্ণ নেভার পর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ক্ষতির হিসাব পাওয়া যেতে পারে।

যান চলাচলেও প্রভাব

বাঘাযতীন বাজারে আগুন লাগার জেরে আশপাশের এলাকায় তৎপরতা শুরু হয়। অগ্নিকাণ্ডের কারণে গড়িয়া ও যাদবপুরের মধ্যে সংযোগকারী রাজা এসসি মল্লিক রোডে যান চলাচল ব্যাহত হয় বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দমকলকর্মীদের পাশাপাশি পুলিশও পরিস্থিতির উপর নজর রাখে।

Advertisement

অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। আগুন কীভাবে লাগল, কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং বাজারের কোন কোন অংশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

দুর্গাপুজোর আবহে বাঘাযতীন বাজারের এই অগ্নিকাণ্ডে বিপর্যস্ত বহু ব্যবসায়ীর জীবন-জীবিকা। দোকান হারিয়ে এখন কীভাবে ফের ঘুরে দাঁড়াবেন, সেই চিন্তাই গ্রাস করেছে তাঁদের। তদন্তের পর আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য সামনে আসার অপেক্ষা।

POST A COMMENT
Advertisement