Sukhendu Sekhar Roy : মমতার রাজনৈতিক জীবন শেষ, তাঁর দলও অস্তমিত; BJP-তে যোগ দিয়েই সুখেন্দুশেখর

যদিও দলে থেকেও তৃণমূলের বিরোধিতায় একাধিকবার সরব হয়েছিলেন সুখেন্দুশেখর। আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে 'রিক্লেম দ্য নাইট'-এ সামিল হয়েছিলেন তিনি। তারপরও বিভিন্ন ইস্যুতে সরব হয়েছিলেন।

Advertisement
মমতার রাজনৈতিক জীবন শেষ, তাঁর দলও অস্তমিত; BJP-তে যোগ দিয়েই সুখেন্দুশেখর মমতাকে আক্রমণ সুখেন্দুশেখরের
হাইলাইটস
  • মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন ধর্ষণ নিয়ে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন
  • তারও সমালোচনা করেন সুখেন্দু

BJP-তে যোগ দিয়ে ফের তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব রাজ্য়সভার প্রাক্তন সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়। তাঁর দাবি, এই রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকার ফলে বেশ কয়েকটা প্রজন্ম শেষ হয়েছে। ঘাসফুল শিবির চোর-দুর্নীতিবাজদের দল বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। 

আজ, বৃহস্পতিবার সুখেন্দুশেখর,সুস্মিতা দেব ও প্রকাশচিক বরাইক বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যর হাত থেকে দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন। শমীক সাফ জানান, যাঁরা দলে যোগ দিলেন তাঁরা তিনজনই অভিজ্ঞ। নিজের নিজের ক্ষেত্রে সেরা। তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও দুর্নীতির অভিযোগ নেই। সেজন্য তাঁরা ব্যতিক্রমী। তাই দলে নেওয়া হয়েছে। 

তবে তিনজনকেই ফের রাজ্যসভার টিকিট দেওয়া হবে কি না সেই বিষয়ে মুখ খোলেনি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁকে এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জানান, তিনজন আজ থেকে বিজেপি। তাঁদের যে কোনও দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। 

এদিকে সুখেন্দুশেখর গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েই বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অধ্যায় শেষ। তাঁর দলও শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই এ নিয়ে আর আলোচনা করে কোনও লাভ নেই। অন্য রাজ্যগুলিতে সাধারণত শাসক ও বিরোধী দল উন্নয়ন, অগ্রগতি বা নির্দিষ্ট প্রকল্পের বাস্তবায়নের জন্য একসঙ্গে কেন্দ্রের কাছে যায়। কিন্তু এখানে আমরা বরাবরই বন্‌ধ, ধর্মঘট ও মিছিলের মাধ্যমে কেন্দ্রের বিরোধিতা করাকেই প্রধান লক্ষ্য করেছি। এর ফলে বাংলার তিন প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যাঁদের সুযোগ ছিল, তাঁরা রাজ্য ছেড়ে চলে গিয়েছেন।' 

মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন ধর্ষণ নিয়ে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। তারও সমালোচনা করেন সুখেন্দু। তাঁর কথায়, 'যখন দেশের অধিকাংশ রাজ্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দেখানো বিকশিত ভারতের রূপরেখা অনুসরণ করে এগিয়ে চলেছে, তখন আমরা ব্যস্ত ছিলাম চুরি-দুর্নীতিতে। আমরা লুটেরাদের এবং ধর্ষণে অভিযুক্তদের আড়াল করছিলাম। স্বাভাবিকভাবেই এমন একটি ব্যবস্থার পতন অনিবার্য ছিল। বাংলা এখন সেই ভয়ের পরিবেশ থেকে মুক্ত হয়েছে। এখন শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে নির্বাচনী ইস্তেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুত কাজ শুরু হয়েছে।' 

Advertisement

যদিও দলে থেকেও তৃণমূলের বিরোধিতায় একাধিকবার সরব হয়েছিলেন সুখেন্দুশেখর। আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে 'রিক্লেম দ্য নাইট'-এ সামিল হয়েছিলেন তিনি। তারপরও বিভিন্ন ইস্যুতে সরব হয়েছিলেন। গত জুনের ৮ তারিখই সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন তিনি। 
 

POST A COMMENT
Advertisement