Indranil Sen Arrest: ED দফতর থেকে বের হতেই ইন্দ্রনীলকে গাড়িতে তুলল পুলিশ, গ্রেফতার প্রাক্তন মন্ত্রী?

ED দফতর থেকে বের হতেই রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ। বুধবার একাধিক নথি নিয়ে ED-র ডাকে CGO কমপ্লেক্সে পৌঁছেছিলেন তিনি। দফতর থেকে বের হতেই তাঁকে গাড়িতে তুলে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়।

Advertisement
ED দফতর থেকে বের হতেই ইন্দ্রনীলকে গাড়িতে তুলল পুলিশ, গ্রেফতার প্রাক্তন মন্ত্রী?ইন্দ্রনীল সেন গ্রেফতার?
হাইলাইটস
  • ED দফতর থেকে বের হতেই ইন্দ্রনীলকে গাড়িতে তুলল পুলিশ
  • ED-র ডাকে CGO কমপ্লেক্সে পৌঁছেছিলেন তিনি
  • প্রাক্তন মন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে অনুমান

ED দফতর থেকে বের হতেই রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে গাড়িতে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ। বুধবার একাধিক নথি নিয়ে ED-র ডাকে CGO কমপ্লেক্সে পৌঁছেছিলেন তিনি। দুর্গাপুজোর পাস বিক্রিকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগেই ED জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল তাঁকে। জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব চলাকালীনই CGO কমপ্লেক্স চত্বরে পুলিশ পৌঁছে যায়। তিনি দফতর থেকে বের হতেই তাঁকে গাড়িতে তুলে সোজা লালবাজারে নিয়ে যায় পুলিশ। অনুমান করা হচ্ছে তাঁকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। যদিও এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে জানায়নি লালবাজার।

ইন্দ্রনীলের বিরুদ্ধে ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে দুর্গাপুজোর পাস বিক্রি করে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এর আগে একাধিক বার তাঁকে ED-র ডাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যেতে হয়েছিল CGOকমপ্লেক্সে। তল্লাশি চালানো হয়েছিল তাঁর একাধিক ঠিকানাতেও। দুর্গাপুজো এবং লক্ষ্মীপুজো মিটতেই ফের বুধবার তলব করা হয় চন্দননগরের এই প্রাক্তন বিধায়ককে। 

ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে যে মূল অভিযোগটি দায়ের হয়েছিল, তা ছিল বউবাজার থানায়। জয়দীপ মুখোপাধ্যায় নামে জনৈক ব্যক্তি এই অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই FIR হয়েছিল। পরে ED এই মামলায় তদন্ত শুরু করে। 

এই তদন্তের মাঝেই আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী। কিন্তু সেখানেও তাঁর আবেদন খারিজ হয়ে যায়। পরে সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ইন্দ্রনীল সুপ্রিম কোর্টেও যান। কিন্তু এখনও শীর্ষ আদালতের রায় আসেনি। মঙ্গলবার শুনানি ছিল। বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের এজলাসে মামলাটি উঠলে তিনি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ইন্দ্রনীলের মামলা থেকে সরে দাঁড়ান।

প্রাথমিক তদন্তে ED-র অনুমান, দুর্গাপুজোর এই পাস দুর্নীতি থেকে ৫০-৬০ কোটি টাকা তুলেছিলেন ইন্দ্রনীল। অভিযোগ,  ‘ভুয়ো’ পাস বিক্রি করে দুর্গাপুজোর ‘প্রিভিউ শো’-র নামে টাকা তুলতেন ইন্দ্রনীল।  ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয় বলেও দাবি অভিযোগকারীর।  ২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়ার পরপরই গড়ে তুলেছিলেন মধুছন্দা ‘মাস আর্ট’ নামে একটি সংস্থা। যার প্রচারে দেখানো হয়েছিল, তাদের সঙ্গে সরাসরি ইউনেস্কোর যোগ রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে ইউনেস্কো এমন কোনও বাণিজ্যিক চুক্তিই করেনি বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

প্রসঙ্গত, ইন্দ্রনীলের মামলায় নাম এসেছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। ‘মাস আর্ট’ তদন্তে ED-র তরফে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়। যেখানে দাবি করা হয়,   ইন্দ্রনীলের সংস্থা থেকে মমতাকে ৩০ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল। ইন্দ্রনীল মন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে তাঁর এবং তাঁর মালিকানাধীন সংস্থা ‘অক্টেভ রেকর্ডস’-এর অ্যাকাউন্টে মোট ৩ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা জমা পড়েছিল। পরে সেই সংস্থার অ্যাকাউন্ট থেকে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তর করা হয়। ইন্দ্রনীল অবশ্য দাবি করেন, ‘রয়্যালটি’ বাবদ ওই টাকা মমতাকে দেওয়া হয়েছে।

 

POST A COMMENT
Advertisement