গলিফ স্ট্রিটে ৫ রকম গাছ কেনা-বেচা নিষিদ্ধসেপ্টেম্বর মাস থেকে গালিফ স্ট্রিট পেট মার্কেট নিয়ে চলছে টানাটানি। গত ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় বন্ধই ছিল হাট। যদিও ১১ অক্টোবর ফুলদমে বেচাকেনা রয়েছে। আশা করা হচ্ছে আগামী রবিবারেও ব্যবসা করতে পারবেন ব্যবসায়ীরা। তবে নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ মেনেই কেনাবেচা করতে হচ্ছে। এ বিষয়ে আদালতের নির্দেশ যাতে লঙ্ঘন না হয়, তা নিশ্চিত করছে প্রশাসন ও হাটের ব্যবসায়ী সমিতি।
হাইকোর্টের নির্দেশের পর কলকাতা পুলিশের তরফে স্পেশাল টিম টহল দিচ্ছে হাটে। কী কেনাবেচা হচ্ছে, তার দিকে নজর রাখছেন পুলিশ আধিকারিকরা। ব্যবসায়ী সমিতির তরফে জানানো হয়েছে, হাটে ৫ রকমের গাছ বিক্রি ব্যান করা হয়েছে। সেই গাছগুলির নাম জেনে নেওয়া যাক।
১)অর্কিড ব্লু ভান্ডা
২)ভান্ডা টিসেলাটা অর্কিড
৩) ভান্ডা টেরেস
৪) পাফিওপেডিলাম অর্কিড
৫) কলসপত্রী অর্কিড
অন্যদিকে, বহু মাছ বিক্রিও ব্যান করা হয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে অ্যারোয়ানা (Arowana), বিচির (Bichir), ডিস্টিকোডাস (Distichodus), ফেদার ফিশ (Feather Fish), রেড টেইল ক্যাটফিশ (Red Tail Catfish, স্টিংরে (Stingray), ডেনিসন বার্ব (Denison Barb), অ্যালিগেটর গার (Alligator Gar), ডলার ফিশ ও বিভিন্ন প্রজাতি (Dollars and Variety, আরাপাইমা (Arapaima), আফ্রিকান বাটারফ্লাই ফিশ (African Butterfly Fish), ডলফিন ফিশ (Dolphin), দেশীয় মাছ ও শামুক (Native Fish and Snail), লাল ও হলুদ বাদে অন্য শ্রিম্প, স্নেকহেড ফিশ (Snakehead), হ্যামারহেড (Hammerhead), কালার উইডো টেট্রা (Widow Tetra), ওয়াইল্ড ডিসকাস (Wild Discus)।
কোনও ব্যান করা গাছ বা মাছ বিক্রি হলে পুলিশ সেই সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করছে বলে জানা গিয়েছে। সেক্ষেত্রে কোনও ক্রেতার কাছে সেই জিনিস দেখলেও তা বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে। এরসঙ্গে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের উপরেই চাপানো হচ্ছে মোটা টাকার ফাইনও। সব মিলিয়ে প্রশাসনের বার্তা কড়া। নিয়ম মেনেই ব্যবসা করতে হবে গালিফ স্ট্রিট পেট মার্কেটে।