সরকারি চাকরির পরিসংখ্যান দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।২০২৭ সালে ৮ মে। তার মধ্যে বাংলায় ১ লক্ষের বেশি সরকারি চাকরি দেওয়ার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জানিয়ে দিলেন, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ছাড়াই নিয়োগপ্রক্রিয়া হবে। অগ্রাধিকার পাবে যোগ্যতা ও মেধাই। সরকারের কাজ শুধু নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া।
দেবীপক্ষে ১০ হাজার ২৩৩ জন পুলিশকর্মীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার দীপাবলির আগে নিয়োগপত্র পেলেন সমবায় দফতরের ১৫২ জন আধিকারিক। তবে নিয়োগ এখানেই থামবে না। বরং আগামী দিনে আরও সরকারি চাকরির দরজা খুলে দিচ্ছে রাজ্য সরকার। সেই পরিসংখ্যান নিজেই দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান,'৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ৬৩ হাজার ৪৯৬ শূন্যপদে নিয়োগে অনুমোদন দিয়েছি। এর মধ্যে স্থায়ী নিয়মিত পদ ৭৮৩৮টি। শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর শূন্যপদ ৩৩৪০৯টি। পুলিশ ও স্বরাষ্ট্র দফতরে শূন্যপদ ১২১৪৭টি। ৭১১৯ শূন্যপদ পঞ্চায়েত দফতরে। কলকাতা পুলিশে নিয়োগ ৫,৯০৪টি শূন্যপদে'।
শুভেন্দু মনে করিয়ে দেন,'ইতিমধ্যেই ১০ হাজার ২৩৩ জন পুলিশ কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। এর মধ্যে মহিলা ৩ হাজার ৪৪ জন'। তাঁর সংযোজন, 'আজ সমবায় দফতরের আধিকারিক পদে ১৫২ জনের হতে নিয়োগপত্র তুলে দেব। ২০২৭ সালের ৮ মে-র মধ্যে সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার টার্গেট। নিয়োগপত্র দেব ১ লক্ষের বেশি যুবক-যুবতীদের। শনিবার লালবাজারে তিনশোর বেশি সাব-ইনস্পেক্টরের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেব।'।
মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস,'সরকারের বিভিন্ন দফতরে এক বছরের মধ্যে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ১ লক্ষ নিয়োগের লক্ষ্য। আমরা নিয়োগপত্র তুলে দেব। বাকি নিয়োগপ্রক্রিয়ায় কোনও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হবে না। সমস্ত নিয়ম মেনে নিয়োগ হবে'।
সেই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বকেয়া ডিএ মেটানোর কাজও সরকার করছে বলে স্মরণ করিয়ে দেন শুভেন্দু। বলেন,'১২ হাজার কোটি টাকা বকেয়ার মধ্যে ৮ হাজার কোটি টাকা দিয়েছি। ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বাকি ৪ হাজার কোটি টাকা বকেয়া মিটিয়ে দেব। ১৫ অক্টোবর ২০ শতাংশ ডিএ-সহ অগ্রিম বেতন তুলে দিয়েছি। সাধারণ কনস্টেবলের বেতন ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা বেড়েছে। সপ্তম বেতন কমিশনের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে অবসরপ্রাপ্ত আইএএস রাজ নবীন প্রকাশের নেতৃত্বে। এই অর্থবর্ষের মধ্যে সুপারিশ পেয়ে যাব। সেটাও কার্যকর করে দেব'।