Gyanesh Kumar: জ্ঞানেশ কুমার কে? কত দূর পড়াশোনা করেছেন

উত্তরপ্রদেশের পরীক্ষার হল থেকে আইআইটি কানপুরের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শ্রেণিকক্ষ, কেরলের প্রশাসনিক দফতর থেকে নির্বাচন কমিশনের সর্বোচ্চ পদ, কর্মজীবনে দীর্ঘ পথ পেরিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার।

Advertisement
জ্ঞানেশ কুমার কে? কত দূর পড়াশোনা করেছেনজ্ঞানেশ কুমারের শিক্ষা থেকে কেরিয়ার।
হাইলাইটস
  • কয়েক দশকের সরকারি চাকরির অভিজ্ঞতা।
  • জ্ঞানেশ কুমারের কাহিনি জানুন।

ইস্তফা চাইছে বিরোধীরা। ইংরেজি দৈনিকের একটি রিপোর্টের পরই আলোচনার কেন্দ্রে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। ২০২৫ সালে ১৯ ফেব্রুয়ারি ভারতের ২৬তম মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৮৮ সালের ব্যাচের আইএএস জ্ঞানেশ কুমার কানপুরের আইআইটির প্রাক্তনী। উত্তরপ্রদেশে স্কুলশিক্ষা। সেখান থেকে দেশের অন্যতম সেরা প্রযুক্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছনোর পুরো কাহিনি জানুন। 

১৯৬৪ সালে জন্ম জ্ঞানেশ কুমারের। উত্তরপ্রদেশে স্কুলশিক্ষা। গোরক্ষপুর, লখনউ এবং কানপুরে পড়াশোনা করেছেন। ১৯৭৯ সালে উত্তরপ্রদেশ বোর্ডের হাইস্কুল পরীক্ষায় (মাধ্যমিক) এবং ১৯৮১ সালে ইন্টারমিডিয়েট (উচ্চমাধ্যমিক) পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিলেন জ্ঞানেশ। লখনউ থেকে জ্ঞানেশের গন্তব্য হয় আইআইটি কানপুর। সেখানে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ব্যাচেলর অফ টেকনোলজি (বি টেক) ডিগ্রি। ১৯৮৫ সালে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পড়াশোনা শেষ করে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেন। তবে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পড়াশোনা থেমে থাকেনি। ভারতে আইসিএফএআই থেকে বিজনেস ফিনান্স করেন।আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হার্ভার্ড ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট থেকে পড়াশোনা করেছেন এনভায়রনমেন্টাল ইকনমিক্স নিয়ে।

কর্মজীবন

জ্ঞানেশের কর্মজীবনের পরবর্তী অধ্যায় শুরু হয় ১৯৮৮ সালে আইএএসে যোগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে। কেরল ক্যাডারের আধিকারিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। কেরলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। কোচি পুরনিগমের পুর কমিশনার, কেরল স্টেট কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের ম্যানেজিং ডিরেক্টর, এরনাকুলামের জেলাশাসক এবং গোশ্রী আইল্যান্ডস ডেভেলপমেন্ট অথরিটির সচিব হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়াও তিরুঅনন্তপুরম এয়ারপোর্ট ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং নয়াদিল্লিতে কেরল হাউসের রেসিডেন্ট কমিশনারের দায়িত্বও সামলেছেন। পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেন জ্ঞানেশ। ২০০৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের প্রতিরক্ষা উৎপাদন বিভাগের যুগ্মসচিব পদেও ছিলেন জ্ঞানেশ। সেই সময় কেন্দ্রে ক্ষমতায় ছিল ইউপিএ সরকার।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দায়িত্বে

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে যুগ্মসচিব এবং অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর কার্যকালের সঙ্গে জম্মু ও কাশ্মীর এবং অযোধ্যার রামমন্দিরের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সময়কাল মিলে যায়। ২০১৯ সালে সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব ছিলেন জ্ঞানেশ। 
 

Advertisement

নির্বাচন কমিশনে কবে

২০২৪ সালের ৩১ জানুয়ারি সরকারি চাকরি থেকে অবসর নেন জ্ঞানেশ। এর পর ওই বছরের ১৫ মার্চ নির্বাচন কমিশনার হিসাবে নিযুক্ত হন। সেই পদে থাকাকালীন ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন। ২০২৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দেশের ২৬তম মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হন।

অধীরের আপত্তি

২০২৪ সালের মার্চে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য গঠিত কমিটিতে বিরোধীদের প্রতিনিধি হিসেবে থাকা কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা অধীর চৌধুরী নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, বাছাই করা প্রার্থীদের নাম তাঁকে আগাম জানানো হয়নি। এই কারণে কমিটির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নিজের আপত্তি নথিভুক্ত করেন।

POST A COMMENT
Advertisement