Gaming Income: মোবাইলে PUBG খেলে শুরু, মাসে ৩০ লক্ষ ইনকাম তন্ময়ের, কীভাবে?

প্রফেশনাল গেমার তন্ময় সিংহ। গেমিং দুনিয়ায় তাঁকে সবাই ScoutOP নামে চেনেন। তাঁর শুরু কিন্তু সাদামাটা PUBG Mobile দিয়ে। আর সেই তন্ময়ই এখন ভারতের অন্যতম পরিচিত গেমিং ক্রিয়েটর।

Advertisement
মোবাইলে PUBG খেলে শুরু, মাসে ৩০ লক্ষ ইনকাম তন্ময়ের, কীভাবে?ScoutOP নিজেই জানিয়েছেন, গেমিং থেকে তাঁর কোন কোনও মাসে আয় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
হাইলাইটস
  • আজকাল অনেকের বাড়ির ছোটরাই ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইলে গেম খেলে।
  • প্রফেশনাল গেমার তন্ময় সিংহ।
  • । তাঁর শুরু কিন্তু সাদামাটা PUBG Mobile দিয়ে।

ScoutOP PUBG Journey: আজকাল অনেকের বাড়ির ছোটরাই ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইলে গেম খেলে। তার জন্য বকুনিও খেতে হয়।পড়াশোনা ছেড়ে গেম খেললে আর কোন মা-বাবারই না টেনশন হয়! কিন্তু সময় বদলেছে। এখন সেই গেম খেলেই অনেকে কেরিয়ার তৈরি করছেন। কেউ হয়ে উঠছেন ইউটিউবার, কেউ আবার পেশাদার ই-স্পোর্টস প্লেয়ার। যে পরিমাণে আয় করছেন, তা সত্যিই অকল্পনীয়। 

এমনই এক প্রফেশনাল গেমার তন্ময় সিংহ। গেমিং দুনিয়ায় তাঁকে সবাই ScoutOP নামে চেনেন। তাঁর শুরু কিন্তু সাদামাটা PUBG Mobile দিয়ে। আর সেই তন্ময়ই এখন ভারতের অন্যতম পরিচিত গেমিং ক্রিয়েটর।

বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, ScoutOP নিজেই জানিয়েছেন, গেমিং থেকে তাঁর কোন কোনও মাসে আয় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পৌঁছে যায়। অর্থাৎ কোনও কোনও বছরে তাঁর ৩ থেকে ৩.৬০ কোটি টাকা পর্যন্ত আয় হয়।  

PUBG Mobile-ই বদলে দেয় জীবন
ScoutOP-এর গেমিং সফর শুরু হয় প্রায় ২০১৮ সাল থেকে। তখন ভারতে PUBG Mobile-এর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। সেই সময়ই আর পাঁচজন টিনেজারের মতো গেম খেলতে শুরু করেন।

তাঁর গেমিংয়ের দক্ষতাই আর পাঁচজনের থেকে আলাদা করে তোলে। ধীরে ধীরে PUBG Mobile-এর পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন ScoutOP। সোশ্যাল মিডিয়াতেও তাঁর গেমপ্লে-র রেকর্ডিং ভাইরাল হতে শুরু করে। শুধু গেম খেলা নয়, নিজের গেমিং কনটেন্টও দর্শকদের সামনে পোস্ট করতে শুরু করেন।

এর পর ই-স্পোর্টসের দুনিয়াতেও তাঁর পরিচিতি বাড়ে। TeamIND, Team SouL, Fnatic এবং Orange Rock-এর মতো টিমে যোগ দেন। ফলে কম্পিটিটিভ গেমিংয়েও নিজের জায়গা তৈরি করে নিয়েছেন ScoutOP।

শুধু গেম খেলেই মাসে ৩০ লক্ষ?
বড় গেমারদের আয় শুধুমাত্র গেম জেতা বা প্রতিযোগিতায় পুরস্কারের টাকা থেকে আসে না। তাঁদের আয়ের একাধিক উৎস থাকে।

YouTube, লাইভ স্ট্রিমিং, স্পনসরশিপ, ব্র্যান্ড ডিল এবং ই-স্পোর্টস; একাধিক সোর্স অফ ইনকাম আছে। কোনও গেমারের দর্শক যত বেশি, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কাছে তাঁর গুরুত্বও তত বাড়ে।

Advertisement

ScoutOP-এরও বড় ফ্যানবেস রয়েছে। নিয়মিত গেমিং কনটেন্ট তৈরি করে এবং লাইভ স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে দর্শকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে নিজের আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন।

অর্থাৎ, এখানে শুধু ভাল গেম খেললেই হয় না। দর্শক তৈরি করাও জরুরি। সেই দর্শকদের দীর্ঘ দিন ধরে ধরে রাখাও বড় চ্যালেঞ্জ।

গেমিং কি সত্যিই কেরিয়ার হতে পারে?
বিদেশে তো বটেই। ভারতেও ই-স্পোর্টস এবং গেমিং কনটেন্টের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে।  

তবে গেমিং থেকে আয় করা সহজ নয়। এর জন্য রীতিমতো দক্ষতা লাগে। আর পাঁচটি খেলার মতোই নিয়মিত প্র্যাকটিস করতে হয়। নতুন নতুন গেমিংয়ের টেকনিক শিখতে লাগে। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত পোস্ট, স্ট্রিমিং করতে হয়। দিনে রীতিমতো ১০-১২ ঘণ্টা স্ক্রিনের সামনে বছরের পর বছর কাটাতে পারবেন? শুধু মাত্র তাহলেই গেমিংকে কেরিয়ার হিসেবে ভাবা যেতে পারে।   

ScoutOP-এর সাফল্যই গেমিং কেরিয়াারে সাফল্যের সবচেয়ে বড় উদাহরণ। PUBG Mobile দিয়ে শুরু করে তিনি আজ যে জায়গায় পৌঁছে গিয়েছেন, তা সত্যিই অভাবনীয়।   

POST A COMMENT
Advertisement