যন্তরমন্তরে রাহুল গান্ধী।বিরোধী দলের সাংসদদের নিয়ে যন্তরমন্তরের দিকে রওনা দিলেন রাহুল গান্ধী। এর আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গের ডাকে দিল্লির সাগর রত্না রেস্তরাঁয় বৈঠকে বসেছিলেন ইন্ডিয়া ব্লকের সাংসদরা। রেস্তরাঁটি যন্তরমন্তর থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরে। ওই এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল পুলিশ বাহিনী। দেওয়া হয়েছে ব্যারিকেড। জারি হয়েছে বিএনএসএস ১৬৩ ধারা (আগের ১৪৪ ধারা)।
বিরোধী সাংসদদের গতিবিধির উপর কড়া নজর রাখছে দিল্লি পুলিশ। আপাতত ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ কৌশলেই এগোচ্ছে। পুলিশের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, সাংসদেরা যন্তরমন্তর, কনট প্লেস অথবা উইন্ডসর প্যালেসের দিকে এগোলে তাঁদের আটকে দেওয়া হবে। সাংসদদের আটক করা এবং তাঁদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া নিয়ে পুলিশকর্মীদের আগেই প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিকেল ৪টে ৩৯ মিনিট
দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে ঘিরে চলা বিক্ষোভে যন্তরমন্তরে আটক করা হয়েছে দিল্লি কংগ্রেস সভাপতি দেবেন্দ্র যাদব-সহ ইন্ডিয়া ব্লকের অন্যান্য নেতা ও কর্মীদের।
বিকেল ৪টে ১৭ মিনিট
দিল্লিতে যন্তরমন্তরের কাছে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা বিক্ষোভস্থলের দিকে যাওয়ার কথা। এর আগে দুপুরে মল্লিকার্জুন খড়্গের ডাকা বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন।
বিকেল ৪টে ৬ মিনিট
ইন্ডিয়া ব্লকের সাংসদদের নিয়ে একটি বাস যন্তরমন্তরের দিকে যাচ্ছিল। সেই বাস আটকানো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস সাংসদ কার্তি চিদম্বরম।
কার্তির দাবি, তাঁরা ব্যক্তিগত বাসে যাতায়াত করছেন। বাসটির প্রয়োজনীয় অনুমতি রয়েছে। বৈধ লাইসেন্সও আছে চালকের। সাংসদেরা ওই বাসে যাত্রী হিসেবে সফর করছেন। তাঁর প্রশ্ন, দেশের নাগরিকদের কি স্বাধীন ভাবে যাতায়াতের অধিকার নেই? তাঁরা কোথায় যাচ্ছেন, তা কি সরকারকে জানানো বাধ্যতামূলক? ব্যক্তিগত ভাবে যাতায়াত করতেও কি সরকারের অনুমতি নিতে হবে?
বিকেল ৪টে
মল্লিকার্জুন খড়্গের ডাকা বিরোধী সাংসদদের বৈঠক শেষ হওয়ার পর জন্তর মন্তরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন সাংসদেরা। একটি বাসে রয়েছেন খড়্গে, রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা-সহ বিরোধী দলের অন্যান্য সাংসদ।
বিকেল ৩টে ৫০ মিনিট
এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে মল্লিকার্জুন খাড়্গে জানালেন, বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের নেতারা আজ যন্তরমন্তরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাবেন। তাঁদের দাবিপূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন খাড়্গে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন যা করছে, তার পিছনে রয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। সরকার গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ বিরোধীদের। বিরোধী নেতাদের বক্তব্য, সব দল একজোট হয়ে দেশের মানুষকে জানাতে চান যে তাঁদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। জনগণের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে যত মামলাই করা হোক না কেন, তাঁরা ভয় পাবেন না, আন্দোলনও থামাবেন না।
বিকেল ৩টে ৪০ মিনিট
তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ডেরেক ও'ব্রায়েন জানিয়েছেন, সমস্ত বিরোধী সাংসদ ঐক্যবদ্ধ। তাঁর কথায়,'আমরা সবাই এখানে একসঙ্গে রয়েছি। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। কোনও অহংকার ছাড়াই আমরা এখানে রয়েছি'। ডেরেক যোগ করেন, একটি বড় শক্তির বিরুদ্ধে বিরোধীদের লড়াই চলবে, যতদিন না সেই শক্তিকে ক্ষমতা থেকে সরানো হচ্ছে।
বিকেল ৩টে ৩৫ মিনিট
লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী জানিয়েছেন, বিরোধী সাংসদরা তিন নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। রাহুল বলেন,'আমার কাছে জ্ঞানেশ কুমার বৈধ নির্বাচন কমিশনার নন। তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ করেন রাহুল। সেই সঙ্গে জানান,'এখনও পর্যন্ত আমার বিরুদ্ধে ৪৫টি এফআইআর দায়ের হয়েছে। আমি চাই আরও ১০০টা এফআইআর দায়ের হোক। আমার কাছে এক একটা এফআইআর পদকের মতো'।