North Sikkim Landslide: নেপালের পর এ বার সিকিম! ভয়াবহ ধসে রুদ্ধ তিস্তা, দুশ্চিন্তায় পর্যটকরা

North Sikkim Landslide: উত্তর সিকিমে ধস। পাহাড়ের বড় অংশ ভেঙে পড়ায় তিস্তা ও চিয়াকুং নদীর জলপ্রবাহে সাময়িকভাবে বাধা তৈরি হয়েছে। শনিবার গভীর রাত থেকে রবিবারের ভোরের মধ্যে এই ধস নামে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর।

Advertisement
নেপালের পর এ বার সিকিম! ভয়াবহ ধসে রুদ্ধ তিস্তা, দুশ্চিন্তায় পর্যটকরাউত্তর সিকিমে ভয়াবহ ধস! তিস্তা ও চিয়াকুং নদীর জলপ্রবাহে বাধা
হাইলাইটস
  • উত্তর সিকিমে ধস।
  • তিস্তা ও চিয়াকুং নদীর জলপ্রবাহে সাময়িকভাবে বাধা তৈরি হয়েছে।
  • শনিবার গভীর রাত থেকে রবিবারের ভোরের মধ্যে এই ধস নামে।

North Sikkim Landslide: উত্তর সিকিমে ধস। পাহাড়ের বড় অংশ ভেঙে পড়ায় তিস্তা ও চিয়াকুং নদীর জলপ্রবাহে সাময়িকভাবে বাধা তৈরি হয়েছে। শনিবার গভীর রাত থেকে রবিবারের ভোরের মধ্যে এই ধস নামে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর। ঘটনাটি ঘটেছে চুংথাং মহকুমার এলাকায়। উত্তর সিকিমে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বহু পর্যটক বেড়াতে যান। ফলে এই খবর বাংলার জন্য় বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ৫ সেপ্টেম্বর রাত থেকে ৬ সেপ্টেম্বর ভোরের মধ্যে চিয়াকুং নদীর উপরে, ওসি ভিরের বিপরীতে ধস নামে। চুংথাং সাব-ডিভিশন পুলিশ এবং জেলা পুলিশের কাছ থেকে এই খবর পায় মাঙ্গন জেলা প্রশাসন।

সূত্রের খবর, নাগা ফরেস্ট এলাকার নাগা-তোসা রোডের নতুন রাস্তা কাটার অংশে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ভেঙে পড়ে। থেং টানেলের বিপরীতে ওই এলাকা। ধসের জায়গাটি তিস্তা এবং চিয়াকুং নদীর সঙ্গমস্থলের কাছে। ফলে দুই নদীর জলপ্রবাহেই প্রভাব পড়েছে।

প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ধসের পরে তিস্তা নদীর জল কিছু সময়ের জন্য বাধাপ্রাপ্ত হয়। নদীর দু’পাশে জল জমতেও শুরু করে। তবে বর্তমানে তিস্তার জলপ্রবাহ স্বাভাবিক রয়েছে। চিয়াকুং নদীতেও জল জমেছে। কিন্তু দুই নদীই এখনও আংশিক ভাবে প্রবাহিত হচ্ছে।

এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কোনও প্রাণহানি বা আহত হওয়ার খবর নেই। ধসের কারণে সম্পত্তির কোনও ক্ষতি হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানার কাজ চলছে।

পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রেখেছে পুলিশ। চুংথাং সিপি/থানার ওসি এবং থেং সিপি-র পুলিশকর্মীরা ঘটনাস্থলে নিয়মিত নজরদারি চালাচ্ছেন। নদীর জলস্তরেও নজর রাখা হচ্ছে।

প্রশাসন জানিয়েছে, শঙ্কালাং ওপেন পোস্ট এবং ফিদাং ওপেন পোস্ট এলাকায় আপাতত নদীর জলস্তর স্বাভাবিক। তবে নদীর জল ঘোলা হয়ে গিয়েছে। ওই দুই জায়গাতেও জলস্তরের উপর নিয়মিত নজর রাখতে বলা হয়েছে। জলস্তরে সামান্য পরিবর্তন হলেও দ্রুত প্রশাসনকে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

এ দিকে, সতর্ক করা হয়েছে পুলিশ কন্ট্রোল রুমকেও। তিস্তার নীচের দিকের অপেক্ষাকৃত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলিতে আগাম সতর্কতা জারি করতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে নদীর কাছাকাছি বসবাসকারী মানুষজনের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে।

মাঙ্গন জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, শুধু ধসের জায়গাতেই নয়, তিস্তা নদীর বিস্তীর্ণ এলাকাতেও নজরদারি চলছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের দল কাজ করছে। ঘটনাস্থলের বিস্তারিত পরিদর্শন এবং ক্ষয়ক্ষতির হিসাবের পরে আরও তথ্য জানানো হবে।

পাহাড়ি এলাকায় বর্ষার সময় ধস নতুন ঘটনা নয়। তবে নদীর কাছে বড় ধস নামলে পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যেতে পারে। তাই আপাতত সতর্ক রয়েছে প্রশাসন। তিস্তা ও চিয়াকুং নদীর জলস্তরের উপরই এখন সবচেয়ে বেশি নজর রাখা হচ্ছে। 

POST A COMMENT
Advertisement