Sikkim Landslide : ফের ধস পশ্চিম সিকিমে, বিপদের মুখে গ্রামের একাধিক বাড়ি; আতঙ্ক

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার বাড়ি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ইতিমধ্যেই কয়েকজন বাসিন্দা নিজেদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বাড়ি থেকে সরিয়ে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যেতে শুরু করেছেন।

Advertisement
ফের ধস পশ্চিম সিকিমে, বিপদের মুখে গ্রামের একাধিক বাড়ি; আতঙ্ক সিকিমে ধস
হাইলাইটস
  • স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার বাড়ি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে
  • শুধু বসতবাড়ি নয়, ধসের জেরে এলাকার স্বাভাবিক যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও প্রভাব পড়েছে

টানা বৃষ্টির মধ্যেই ফের বড়সড় ধসের আতঙ্ক পশ্চিম সিকিমে। ইয়ুকসোম-তাশিডিং বিধানসভা এলাকার রিম্বি গ্রামে নতুন করে ধস। পাহাড়ের ঢাল বেয়ে বিপুল পরিমাণ কাদা, পাথর, মাটি ও অন্য ধ্বংসাবশেষ নেমে আসছে। সেই ধসের গতিপথ ক্রমশ রিম্বি গ্রামের দিকে ঘুরে যাওয়ায় একাধিক বসতবাড়ি এখন বিপদসীমার মধ্যে চলে এসেছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।

আজ মঙ্গলবার ধস দেখা যায় সিকিমের পাহাড়ে। সামনে আসা ভিডিওতে দেখা যায়, পাহাড়ের উপর থেকে মাটি, বড় পাথর এবং ধ্বংসাবশেষ গড়িয়ে পড়ছে। পাহাড়ের ঢালে মাটির নড়াচড়া এখনও অব্যাহত থাকায় যে কোনও সময় আরও বড় ধস নামতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিশেষ করে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার বাড়ি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ইতিমধ্যেই কয়েকজন বাসিন্দা নিজেদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বাড়ি থেকে সরিয়ে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যেতে শুরু করেছেন। বাড়িঘর ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন স্থানীয়রা।

শুধু বসতবাড়ি নয়, ধসের জেরে এলাকার স্বাভাবিক যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও প্রভাব পড়েছে। পাহাড়ি এলাকায় মাটি ও ধ্বংসাবশেষের নড়াচড়া অব্যাহত থাকায় স্থানীয়দের চলাচলেও তৈরি হয়েছে ঝুঁকি। লাগাতার বৃষ্টির কারণে নতুন করে মাটির ধস এবং কাদার স্রোত নেমে আসার আশঙ্কা থাকায় পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন বাসিন্দারা।

রিম্বি গ্রামের বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হয়ে দাঁড়িয়েছে ধসের গতিপথ। প্রথমে পাহাড়ের ঢালে শুরু হওয়া ধস এখন গ্রামের দিকে এগিয়ে আসায় আতঙ্ক বেড়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, বৃষ্টি আরও বাড়লে মাটি আলগা হয়ে ধসের পরিমাণ এবং গতি দু’টোই বাড়তে পারে। সেই কারণে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় থাকা বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন অনেকে।

এদিকে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে স্থানীয় প্রশাসন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে চলা এবং স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনে চলার উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আপাতত ধসের গতিবিধি, বৃষ্টির পরিস্থিতি এবং গ্রামের দিকে মাটি-পাথরের প্রবাহের উপর নজর রাখা হচ্ছে।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement