TMC-র ২০ 'বিদ্রোহী' সাংসদদের ফের আবেদন স্পিকার বিড়লার কাছে, আরও সময় চান কাকলি-সুদীপরা

প্রসঙ্গত, পুরো বিষয়ের সূত্রপাত চলতি বছরের জুনে। TMC-র ২০ জন সাংসদ দল ছেড়ে NCPI-তে যোগ দেন। এরপর তাঁদের বিরুদ্ধে দাদলবদল-বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তোলে TMC।

Advertisement
TMC-র ২০ 'বিদ্রোহী' সাংসদদের ফের আবেদন স্পিকার বিড়লার কাছে, আরও সময় চান কাকলি-সুদীপরাফাইল ছবি (PTI)
হাইলাইটস
  • এরপর ২৬ অগাস্ট ২০ জন সাংসদকে নোটিস পাঠিয়েছিলেন লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লা
  • প্রথমে তাঁদের সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল

TMC ছেড়ে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া (NCPI)-তে যাওয়া লোকসভার ২০ সাংসদ ফের সময় চাইলেন স্পিকার ওম বিড়লার কাছে। তাঁদের জবাব দেওয়ার সময়সীমা আজ মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর শেষ হয়। সূত্রের খবর,তার আগেই ওই সাংসদদের পক্ষ ২২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত  সময় চেয়ে নেওয়া হয়েছে।  

ওই ২০ সাংসদের বিরুদ্ধে সদস্যপদ খারিজের আবেদন করেছিল মমতা তৃণমূল। দলের সাধারণ সম্পাদক ও লোকসভা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাদলবদল-বিরোধী আইনের আওতায় তাঁদের বিরুদ্ধে পৃথক আবেদন করেছিলেন। অভিযোগ ছিল, ওই সাংসদরা TMC ছেড়ে অন্য রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন।

এরপর ২৬ অগাস্ট ২০ জন সাংসদকে নোটিস পাঠিয়েছিলেন লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লা। প্রথমে তাঁদের সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। পরে সাংসদদের আবেদনের ভিত্তিতে সময়সীমা বাড়িয়ে ২২ সেপ্টেম্বর করা হয়।

এবার সেই সময়সীমাও শেষ হওয়ার মুখে নতুন করে সময় চাওয়া হল। সূত্রের খবর, প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ এবং জবাব প্রস্তুতের জন্য আরও চার সপ্তাহ সময় চেয়েছে বিদ্রোহী সাংসদদের শিবির। ফলে তাঁদের নতুন আবেদনের ভিত্তিতে স্পিকারের দফতর কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

প্রসঙ্গত, পুরো বিষয়ের সূত্রপাত চলতি বছরের জুনে। TMC-র ২০ জন সাংসদ দল ছেড়ে NCPI-তে যোগ দেন। এরপর তাঁদের বিরুদ্ধে দাদলবদল-বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তোলে TMC। এই মামলাকে ঘিরে আইনি প্রশ্নও রয়েছে। বিশেষ করে, কোনও রাজনৈতিক দলের দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদ অন্য দলে যোগ দিলে তা দাদলবদল-বিরোধী আইন সংক্রান্ত সুরক্ষার মধ্যে পড়ে কি না, তা নিয়ে আইনি মতভেদ রয়েছে। এদিকে, এই মামলায় দ্রুত সিদ্ধান্ত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টেরও দ্বারস্থ হয়েছিল TMC। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনের পর সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি শুনতে সম্মত হয়।

আগে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় পাওয়ার পর এবার আরও চার সপ্তাহের আবেদন নতুন করে সময়ের প্রশ্ন তুলেছে। ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দেওয়া হবে কি না, নাকি স্পিকার এবার ওই সাংসদদের জবাবের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ করবেন- সেটিই এখন নজরে।

Advertisement

২০ জন সাংসদের সদস্যপদ নিয়ে স্পিকারের সিদ্ধান্ত লোকসভার সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক সমীকরণেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের। 

POST A COMMENT
Advertisement