প্রতীকী ছবি রাজস্থানে নাবালিকার উপর পাশবিক অত্যাচার। মাত্র ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে দিনের পর দিন ধর্ষণ ৩০ জনেরও বেশি ব্যক্তির। অভিযোগ অনুযায়ী, একাধিক হোটেলে নিয়ে গিয়ে সেই নাবালিকার উপর যৌন নির্যাতন চালানো হয়।
এফআইআর অনুযায়ী, বাড়ি থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর এক রিকশাচালক ওই কিশোরীকে একটি হোটেলের মালিকের কাছে বিক্রি করে দেয়। এরপর বিভিন্ন হোটেলে তাকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়।
এফআইআরে উল্লেখ, কয়েকজন হোটেল মালিক ও পরিচালকের বিরুদ্ধেও কিশোরীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ারও চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।
এই মামলায় ইতিমধ্যেই একাধিক হোটেল মালিক ও ম্যানেজারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কিশোরীর অভিযোগ, বারবার ধর্ষণের ফলে যখন সে তীব্র যন্ত্রণায় কষ্ট পাচ্ছিল। তখন তাকে জোর করে মদ্যপান করানো হোতো।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর শ্রীগঙ্গানগর জেলাজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। যদিও এলাকা পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত নয়, তবুও সেখানে ১৫০টিরও বেশি অবৈধ হোটেল চলছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পর সেসব অবৈধ হোটেল বন্ধের দাবি উঠেছে।
এদিকে, ঘটনার প্রতিবাদে কংগ্রেস বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। দলের দাবি, রিকশাচালক থেকে শুরু করে হোটেল মালিক—সব অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
করনপুরের কংগ্রেস বিধায়ক রূপিন্দর সিং কুন্নার বিক্ষোভে অংশ নিয়ে বলেন, দোষীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত। কংগ্রেস প্রশাসনকে সতর্ক করে জানিয়েছে, দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে তারা। পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের সাময়িক বরখাস্ত করারও দাবি জানিয়েছে দলটি।
রূপিন্দর সিং কুন্নারের অভিযোগ, এই মর্মান্তিক ঘটনা স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনের চরম ব্যর্থতা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গাফিলতির নগ্ন চিত্র তুলে ধরেছে।