Snake Murder: স্বামীকে খুন করে সাপের কামড় বলে চালানোর চেষ্টা, মহিলা-প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

স্বামীকে খুন করে 'সাপের কামড়ে মৃত্যু' বলে চালানোর চেষ্টা। উত্তরপ্রদেশের মেরঠের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা দেশকে। সেই ঘটনার চক্রী মহিলা ও তাঁর প্রেমিককে মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত।

Advertisement
স্বামীকে খুন করে সাপের কামড় বলে চালানোর চেষ্টা, মহিলা-প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ডপুলিশের কাছে বিষয়টি সাপের ছোবল বলে চালানোর পরিকল্পনা ছিল তাদের।  
হাইলাইটস
  • স্বামীকে খুন করে 'সাপের কামড়ে মৃত্যু' বলে চালানোর চেষ্টা।
  • মেরঠের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা দেশকে।
  • চক্রী মহিলা ও তাঁর প্রেমিককে মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত।

স্বামীকে খুন করে 'সাপের কামড়ে মৃত্যু' বলে চালানোর চেষ্টা। উত্তরপ্রদেশের মেরঠের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা দেশকে। সেই ঘটনার চক্রী মহিলা ও তাঁর প্রেমিককে মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত। শুক্রবার এই সাজা ঘোষণা হয়। দোষী সাব্যস্ত মহিলার নাম রবিতা। প্রেমিকের নাম অমরদীপ। অভিযোগ, দু’জনে মিলে রবিতার স্বামী অমিত কাশ্যপকে শ্বাসরোধ করে খুন করেন। তার পর দেহের নিচে সাপ রেখে দেয়। পুলিশের কাছে বিষয়টি সাপের ছোবল বলে চালানোর পরিকল্পনা ছিল তাদের।  

গত ৭ অক্টোবর অতিরিক্ত জেলা বিচারক-১২-র আদালত রবিতা ও অমরদীপকে খুন এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেছিল। শুক্রবার সাজা ঘোষণা করা হয়।

সাপের ছোবল যে নয়, সেটা কীভাবে বোঝা গেল?
২০২৫ সালের ১২ এপ্রিল। আকবরপুর সাদাত গ্রামের বাড়ি থেকে অমিতের দেহ উদ্ধার হয়। দেহের নিচে একটি সাপ আটকে ছিল। স্বাভাবিকভাবেই প্রথমে পরিবারের সদস্যরা ভেবেছিলেন যে, সাপের কামড়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু অমিতের গলায় আঘাতের চিহ্ন এবং শরীরে আঁচড় দেখে সবার সন্দেহ হয়। তাছাড়া সাপে কামড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে কারও মৃত্যু হয় না। ভয়ঙ্কর বিষাক্ত সাপের প্রবল ছোবলেও অন্তত বেশ কয়েক মিনিট সময় লাগে। ততক্ষণে মানুষ ছটফট করে। সাপ ছোবল দিয়েই ভয়ে পালিয়ে যায়। তাই দেহের তলায় সাপ আটকে থাকার বিষয়টিতেও পুলিশের সন্দেহ হয়। সঙ্গে সঙ্গে দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানোর নির্দেশ দেন তদন্তকারীরা। রিপোর্টে জানা যায়, শ্বাসরোধের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

শুধু তাই নয়। সাপটিকেও পরীক্ষা করে দেখা যায়, তার বিষ থলিই নেই। সাধারণত সাপুড়েরা খেলা দেখানোর জন্য বেআইনিভাবে এমন বিষথলি সরানো সাপ রাখেন। 

অভিযোগ, রবিতার সঙ্গে অমরদীপের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্কের জেরেই অমিতকে খুনের পরিকল্পনা করে তারা। পরে ঘটনাটিকে সাপের কামড় বলে দেখানোর চেষ্টা হয়।  

ফোনের রেকর্ড ঘাঁটতেই সব ফাঁস
মামলায় ৫০০ পাতারও বেশি চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ। এক ডজনেরও বেশি সাক্ষীর বয়ান নথিভুক্ত করা হয়। সরকারি আইনজীবী ফারজানা জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পাশাপাশি মোবাইল ফোনের রেকর্ডওচেক করা হয়। অমিতের মৃত্যুর পর চার দিনে রবিতা ও অমরদীপের মধ্যে ৭০ বারেরও বেশি কথা হয়েছিল। সরকারি আইনজীবী কে কে চৌবে আদালতে দুই দোষীর সর্বোচ্চ সাজার দাবি করেছিলেন। খুনের পরিকল্পনা এবং প্রমাণ লোপাটের চেষ্টার বিষয়টি তুলে ধরে মৃত্যুদণ্ডের পক্ষে সওয়াল করেন তিনি। অমিতের পরিবারের আইনজীবী বলরাজ সিংহও একই দাবি জানিয়েছিলেন।  

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement