বিগ বস বাংলাবহু অপেক্ষার পর অবশেষে শুরু হয়ে গেল বিগ বস বাংলা ২০২৬। এই শো ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই দর্শকদের মধ্য়ে কৌতুহল ছিল তুঙ্গে। আর এইবারের বিগ বস বাংলার দায়িত্ব সকলের প্রিয় দাদা সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ওপর দেওয়া হয়েছে। তাই এই রিয়্যালিটি শোয়ের মজা চারগুণ বেড়ে গিয়েছিল। ৩০ অগাস্ট, রবিবার, রাত ৮টার সময় যবনিকা পতন ঘটল। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের হাত ধরে এক এক করে প্রতিযোগীরা বিগ বস-এর ঘরে প্রবেশ করলেন। আসুন দেখে নেওয়া যাক কারা কারা এই বছরের প্রতিযোগী, যাঁদের মধ্যে টক্কর হবে জোরদার।
জল্পনা অনেকদিন ধরেই ছিল যে এই বছরের বিগ বস-এ যেতে পারেন মনামী ঘোষ। যদিও তিনি মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন। কিন্তু এই শো শুরু হওয়ার দু-একদিন আগেই তাঁকে মুম্বইয়ের সিদ্ধি বিনায়ক মন্দিরে পুজো দিতে দেখা যায়। এরপরই আর কোনও সন্দিহান থাকে না যে তিনি বিগ বস হাউসে প্রবেশ করতে চলেছেন। লাল পাড় সাদা শাড়ি পরে অভিনেত্রী ধরা দিলেন নিজের চেনা রূপে। বিগ বস-এর ঘরে তিনি প্রথম প্রতিযোগী। দ্বিতীয় প্রতিযোগী হিসাবে দেখা গেল ইন্ডাস্ট্রির চেনা মুখ ভরত কলকে। তৃতীয় প্রতিযোগী হিসাবে প্রবেশ করেন দুর্নিবার।
প্রয়াত অভিনেতা তাপস পালের মেয়ে সোহিনী বহু বছর অভিনয় জগত থেকে দূরে। জল্পনা ছিল তিনিও এই শোতে আসতে পারেন, তবে নিশ্চিত কোনও খবর পাওয়া যায়নি। কিন্তু রবিবার রাতে সকলকে চমকে দিয়ে সোহিনী আসেন বিগ বস-এ অংশ নিতে। এরপর আরও এক চমক ছিল। সকলের প্রিয় নিরঞ্জন, যিনি লাফটারসেন নামে পরিচিত, তিনিও বিগ বস-এর অতিথি হয়ে থাকবেন তিনমাসের জন্য। এরপর জনপ্রিয় প্রাক্তন ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাসও এন্ট্রি নেন এই ঘরে। পরের প্রতিযোগী হিসেবে বিগ বস বাংলার অনুষ্ঠানে আসেন ব্যবসায়ী তনুশ্রী রায় দাস। তিনি জলপাইগুড়ির বাসিন্দা। সোজা কথা মুখের উপর বলতেই ভালোবাসেন তিনি। বিগ বসের মঞ্চে এসেই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে তিনি নাচ করান উলালা গানের তালে তালে। এরপর পরপর আসেন অনিন্দ্য সেন গুপ্ত এবং সায়ক চক্রবর্তী।
এছাড়াও আরও এক ইনফ্লুয়েন্সার জয়িতা চট্টোপাধ্যায়, ঝিলাম গুপ্ত, সৃজলা গুহ, নন্দিনী দত্ত, সোনামণি সাহা, আলেকজান্দ্রা টেলরও বিগ বসের ঘরে প্রবেশ করেন। এই ১৫ জনকে নিয়ে সোমবার থেকে জম জমাটি হবে বিগ বস-এর ঘর। কে কার বন্ধু আর কে শত্রুতে পরিণত হবে, এবার থেকে সেটাই দেখার পালা। ইতিমধ্যেই ঘরের মধ্যে বিছানা নিয়ে হালকা উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এই উত্তেজনা আর কী কী নিয়ে হয় তা দেখতে হলে নজর রাখতে হবে বিগ বস বাংলার ঘরে, প্রতিদিন রাত সাড়ে নটার সময়।