Arijita Mukherjee: 'তাঁদের জীবন টাকা দিয়ে...', চোরবাগান পদপিষ্টে আর্থিক সহায়তা, সরকারকে কটাক্ষ বাবুর মা-এর

চোরবাগান সর্বজনীনে পদপিষ্টের ঘটনায় মৃত্যু ১৯ জন দর্শনার্থীর। সপ্তমীর সন্ধেতে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে আচমকা বৃষ্টি আসায় হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। আর এই হুড়োহুড়িতে পদপিষ্টের মতো ঘটনা ঘটে, যার জেরে প্রাণ হারাতে হয় ১৯ জন নিরীহ মানুষকে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ কলকাতাবাসী।

Advertisement
'তাঁদের জীবন টাকা দিয়ে...', চোরবাগান পদপিষ্টে আর্থিক সহায়তা, সরকারকে কটাক্ষ বাবুর মা-এরঅরিজিতা মুখোপাধ্যায়
হাইলাইটস
  • চোরবাগান সর্বজনীনে পদপিষ্টের ঘটনায় মৃত্যু ১৯ জন দর্শনার্থীর।

চোরবাগান সর্বজনীনে পদপিষ্টের ঘটনায় মৃত্যু ১৯ জন দর্শনার্থীর। সপ্তমীর সন্ধেতে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে আচমকা বৃষ্টি আসায় হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। আর এই হুড়োহুড়িতে পদপিষ্টের মতো ঘটনা ঘটে, যার জেরে প্রাণ হারাতে হয় ১৯ জন নিরীহ মানুষকে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ কলকাতাবাসী। বাংলা ইন্ডাস্ট্রির তারকারাও সামিল হয়েছেন এই শোকপ্রকাশে। আবার কেউ কেউ প্রশাসনিক গাফিলতিকে তুলে ধরেছেন। এই ঘটনার পর রাজ্য সরকারের আর্থিক সহায়তা ও চাকরি ঘোষণার পরেই প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সোচ্চার হলেন টেলিভিশনের জনপ্রিয় খলনায়িকা অরিজিতা মুখোপাধ্যায়, যিনি বাবুর মা হিসাবেই পরিচিত। 

অরিজিতা প্রশ্ন তুলেছেন এবছর পুজোর ট্রাফিক এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে প্রশাসনের চূড়ান্ত গাফিলতি নিয়ে। তিনি লেখেন, ‘এবছর পুজোর ট্রাফিক জুড়ে যে ভয়াবহ পরিস্থিতি ঘটছে, পুলিশ নেই! সিভিক ভলান্টিয়ার দিয়ে কত পরিস্থিতি সামলাবেন? প্রশাসন এবং সরকার তার কোনো দায়িত্ব নেননি কেন?’ চোরবাগান দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের জন্য ঘোষিত আর্থিক ক্ষতিপূরণকে তীব্র আক্রমণ করে নিম ফুলের মধু খ্যাত অরিজিতা প্রশ্ন তোলেন, ‘সপ্তমীর গোড়ায় চোরবাগানে যাদের প্রাণ চলে গেল, তাঁদের জীবন টাকা দিয়ে ফিরিয়ে আনা যাবে তো?’

ছবি সৌজন্যে: ফেসবুক

আরজি কর কাণ্ড-সংক্রান্ত বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে সরকারের চাকরি ও ক্ষতিপূরণ নীতিকে সরাসরি নিশানায় এনে তিনি ক্ষোভ উগরে দেন। অরিজিতা প্রশ্ন করেন, ‘নাকি এরপর রত্না দেবীর মতো তাঁদেরকেও একটা করে সিট (SIT) অফার করে দেবেন?’ চোরবাগান ট্র্যাজেডির পর শিল্পী ও বিনোদন জগতের একের পর এক ব্যক্তিত্বের এমন কড়া প্রতিক্রিয়া ও প্রতিবাদ প্রকাশ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, উৎসবের মাঝেই দুর্গাপুজোর সার্বিক নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক অব্যবস্থা নিয়ে সাধারণ মানুষ ও নাগরিক সমাজের ক্ষোভ এখন চরমে পৌঁছেছে। 

এদিন দুর্ঘটনার খবর কানে যেতেই তড়িঘড়ি মেডিক্যাল কলেজে ছুটে যান মুখ্যমন্ত্রী। পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে দুর্ঘটনাস্থলেও পৌঁছান। তিনি জানান, ‘কতর্ব্যে গাফিলতি হয়ে থাকতে পারে…’। শুভেন্দু অধিকারী জানান, রাজ্য সরকার এই কঠিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে সম্পূর্ণভাবে দাঁড়িয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে— চোরবাগান ট্র্যাজেডিতে প্রাণ হারানো প্রতিটি নিহতের পরিবারকে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে বিশেষ আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে এবং পরিবারের একজন যোগ্য সদস্যকে হোম গার্ড বা সরকারি সংস্থায় বিশেষ চাকরির ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি ২৫ লাখ টাকা দেওয়া হবে।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement