
ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের ইরানকে চরম হুঁশিয়ারি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। সেই দেশের সভ্যতা ধ্বংস করার হুমকি দিলেন তিনি। সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন রাত পর্যন্ত। তাহলে কি সেই দেশে পরমাণু হামলা চালাবে ট্রাম্পের দেশ? সেই প্রশ্নই ঘোরাফেরা করছে।
আজ ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে লিখেছেন, 'একটি সম্পূর্ণ সভ্যতা আজ রাতেই ধ্বংস হয়ে যাবে। আর কখনও ফিরে আসবে না। আমি চাই না তা ঘটুক, কিন্তু সম্ভবত তা ঘটবেই। তবে এখন যেহেতু আমরা সম্পূর্ণ ও সর্বাত্মক শাসন পরিবর্তনের পথে, যেখানে ভিন্ন, আরও বুদ্ধিমান এবং কম চরমপন্থী মানসিকতা প্রাধান্য পাবে, হয়তো অসাধারণ কিছু ঘটতে পারে, কে জানে? আমরা আজ রাতেই জানতে পারব। এটি বিশ্বের দীর্ঘ ও জটিল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। ৪৭ বছরের চাঁদাবাজি, দুর্নীতি এবং মৃত্যুর অবসান অবশেষে ঘটবে। মহান ইরানের জনগণকে ঈশ্বর আশীর্বাদ করুন!'
হরমুজ প্রণালী না খুললে বড় অভিযানের পথে নামার হুমকি দিয়েছে আমেরিকা। ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সময়ও বেঁধে দিয়েছেন। আমেরিকার সময় অনুযায়ী মঙ্গলবার রাত ৮টার মধ্যে ইরান যদি হরমুজ প্রণালী নিয়ে কোনও পদক্ষেপ না করে, আলোচনার রাস্তায় না হাঁটে, তা হলে পরিস্থিতি যে আরও ভয়ানক হতে পারে। ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই বিরাট হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প।

প্রসঙ্গত,আজই ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে হামলার খবর সামনে এসেছে। ইরানের সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ এই মিসাইল স্ট্রাইকের খবর নিশ্চিত করেছে।
ইরান আশঙ্কা করছে, আমেরিকার সঙ্গে সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী এবং আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। ইতিমধ্যেই মার্কিন-ইজরায়েলি হামলায় ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হলেও তেহরান পিছু হটতে রাজি নয়। এতে স্থলযুদ্ধের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের দাবি অনুযায়ী, সম্ভাব্য যুদ্ধের জন্য প্রায় ১ কোটি ৪০ লক্ষ মানুষ স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে নাম লিখিয়েছেন। মাত্র ৫ দিনের মধ্যে এই সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে।