
শুভেন্দু অধিকারী-মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়বিধানসভা নির্বাচনের মুখে দফায় দফায় মালদার একাধিক এলাকায় অশান্তির ঘটনা ঘটে। SIR-এ নাম বাদ পড়ায় মালদার একাধিক জায়গায় বিক্ষোভ ভয়াবহ আকার নেয়। সাত বিচারককে ৯ ঘণ্টা আটক করে রাখা হয়। মধ্যরাতে তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার সময়ও পুলিশের কনভয়ে হামলার চেষ্টা হয়। এ ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য, এ ব্যাপারে তিনি কিছু জানতেন না। নির্বাচন কমিশনের হাতে আইন-শৃঙ্খলা চলে যাওয়ার পর মুখ্যসচিব, ডিজি কেউ যোগাযোগ রাখে না। এর পাল্টা শুভেন্দুর মমতাকে টার্গেট, "আপনিই তো বলেছেন মহিলাদের হাতা-খুন্তি নিয়ে নামতে। একটা সম্প্রদায়কেও উস্কাচ্ছেন।"
শুভেন্দুর দাবি, "এটা মমতাকে জানানোর বিষয় নয়। উনিই তো মহিলাদের লাগাতার হাতা-খুন্তি নিয়ে বেরোতে বলছেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পেটাতে বলছেন। একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষদের উস্কাচ্ছেন। প্রত্যক্ষভাবে বলছেন, পরোক্ষভাবে করাচ্ছেন। উনিই তো সাবিনা ইয়াসমিনকে দিয়ে করাচ্ছেন। উনিই বলেছেন শুক্রবার একটু আধটু হবে, আমি কিছু বলতে পারব না। ওনার আমলেই তো ধুলিয়ান, সামসেরগঞ্জ...।"
শুধু তাই নয়, শুভেন্দু আরও দাবি করেন, "ক্রমাগত বিচারব্যবস্থার ওপর আক্রমণ হচ্ছে। ২০২১-এ মমতা একটা মামলা করেছিলেন নন্দীগ্রাম নিয়ে। মামলা তৎকালীন বিচারপতি কৌশিক চন্দকে অ্যাসাইন করেছিলেন বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোঁসা হয়েছিল। তাঁকে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা দিতে হয়েছিল। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, রাজশেখর মন্থাদের টার্গেট সহ ইডির তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার মতো কাজ করেছেন। ইডি যখন গেছিল তখনও কসবার ল'কলেজ থেকে ল'স্টুডেন্ট এনে এজলাস ভন্ডুল করা হয়েছে। জুডিশিয়ারিকে থ্রেট কালচারে পড়তে হয়েছে।" কলকাতা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাবিনা ইয়াসমিনকে নির্দেশ দিয়ে মালদায় অশান্তি করিয়েছেন, বলে তাঁর দাবি।

এই সভা থেকে প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও কৃষক আন্দোলনের নেতা শ্রী কানাই মণ্ডল বিজেপিতে যোগদান করে। তিনি আগে বামফ্রন্ট ও তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মুর্শিদাবাদ জেলায় দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের কাজ করেছেন। তাঁর এই যোগদানকে বিজেপি উত্তরবঙ্গ ও বিশেষ করে মুর্শিদাবাদে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে।