কেন্দ্রীয় কর্মীরা DA কবে পাবেন? কেন দেরি হচ্ছে? কবে নাগাদ ঘোষণার সম্ভাবনা? যা জানা যাচ্ছে...

যদিও তা লাগু হয়ে যাচ্ছে চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকেই।  ডিএ ঘোষণার ক্ষেত্রে এবারে দেখা যাচ্ছে বেশ দেরি হচ্ছে মোদী সরকারের। কেন হঠাত্‍ এত দেরি,তা নিয়ে নানা জল্পনা চলছে। 

Advertisement
কেন্দ্রীয় কর্মীরা DA কবে পাবেন? কেন দেরি হচ্ছে? কবে নাগাদ ঘোষণার সম্ভাবনা? যা জানা যাচ্ছে... কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা
হাইলাইটস
  • ২০২৬-২৭ কেন্দ্রীয় বাজেটে পেনশনের আনুমানিক ব্যয়
  • ডিএ (DA) সংশোধনে দেরি কোনও নীতিগত পরিবর্তন নয়
  • ২০২৬-এর ডিএ বৃদ্ধিতে দেরি: ৫টি মূল কারণ 

কেন্দ্রের মহার্ঘ ভাতা (DA) ৫৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬০ শতাংশ হতে পারে। এই বৃদ্ধি সাধারণত মার্চেই ঘোষণা করা হয়ে যায়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত যা খবর, সম্ভবত এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে ডিএ ঘোষণা করবে কেন্দ্রীয় সরকার। যদিও তা লাগু হয়ে যাচ্ছে চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকেই।  ডিএ ঘোষণার ক্ষেত্রে এবারে দেখা যাচ্ছে বেশ দেরি হচ্ছে মোদী সরকারের। কেন হঠাত্‍ এত দেরি,তা নিয়ে নানা জল্পনা চলছে। 

২০২৬-২৭ কেন্দ্রীয় বাজেটে পেনশনের আনুমানিক ব্যয়

পিআরএস ইন্ডিয়া (PRS India)-র ২০২৬-২৭ কেন্দ্রীয় বাজেটের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকার এই অর্থবর্ষে পেনশনের ব্যয় ২ লক্ষ ৯৬ হাজার ২১৪ কোটি টাকা অনুমান করা হয়েছে, যা ২০২৫-২৬ সালের সংশোধিত অনুমানের তুলনায় প্রায় ৩ শতাংশ বেশি। অর্থাত্‍ অনেকটাই বেড়ে খরচ।

ডিএ (DA) সংশোধনে দেরি কোনও নীতিগত পরিবর্তন নয়

এর কারণ হল, ভাতা বৃদ্ধি নিয়ে কোনও সংশয় নেই। মহার্ঘ ভাতা বাড়বেই। এটি শুধুমাত্র ঘোষণার সময় সংক্রান্ত একটি বিষয়। ব্যাঙ্ক বাজারের সিইও আদিল শেট্টির কথায়, 'এপ্রিল ২০২৬-এর ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণায় বিলম্ব স্বাভাবিক সময়সীমার কিছুটা বাইরে হলেও এটি কোনও নীতিগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয় না। ডিএ সংশোধন সিপিআই-আইডব্লিউ (CPI-IW)-এর ১২ মাসের গড়ের ওপর ভিত্তি করে একটি নির্দিষ্ট সূত্র মেনে চলে এবং প্রাপ্ত তথ্য ইতিমধ্যেই ২ শতাংশ সামান্য বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা এই হারকে প্রায় ৬০ শতাংশে নিয়ে যাবে। বৃদ্ধি নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই, ২০১৬ সালে ২ শতাংশ থেকে শুরু করে গত এক দশকে পুঞ্জীভূত মুদ্রাস্ফীতির প্রতিফলন ঘটিয়ে ডিএ বর্তমানে প্রায় ৬০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।'

২০২৬-এর ডিএ বৃদ্ধিতে দেরি: ৫টি মূল কারণ 

১. অষ্টম পে কমিশন (8th Pay Commission): যেহেতু অষ্টম পে কমিশন এখন কার্যকর হয়েছে, তাই ডিএ-এর সামঞ্জস্য নতুন বেতন কাঠামোর সঙ্গে মিলিয়ে করা হচ্ছে, যার জন্য অতিরিক্ত প্রশাসনিক পরীক্ষা, বৈধতা এবং বিশ্লেষণের প্রয়োজন।

Advertisement

২. ক্যাবিনেট অনুমোদন প্রক্রিয়া: অর্থ মন্ত্রকের পর্যালোচনা এবং চূড়ান্ত ক্যাবিনেট অনুমোদন সহ একাধিক ছাড়পত্রের প্রয়োজন হয়। এমনকী ২ শতাংশ বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও যাচাই ও বিশ্লেষণের পরেই সবুজ সঙ্কেত দেওয়া হয়। এটি দেরির অন্যতম কারণ হতে পারে।

৩. তথ্য চূড়ান্তকরণ: ডিএ গণনা শিল্প শ্রমিকদের উপভোক্তা মূল্য সূচকের (CPI-IW) ১২ মাসের গড়ের ওপর নির্ভর করে। তথ্যের সঠিক চূড়ান্তকরণ পূর্ববর্তী সংশোধন এড়াতে সাহায্য করতে পারে।

৪. প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা: বকেয়া বা এরিয়ার জড়িত থাকার ক্ষেত্রে আধিকারিকরা পেনশন, বেতন এবং ভাতা বিতরণের সাথে সময়ের সামঞ্জস্য রাখতে পারেন।

৫. কাঠামোগত পরিবর্তন: একবার মোট ডিএ ৫০ শতাংশ অতিক্রম করলে মূল বেতনের সঙ্গে একীভূতকরণ বা অন্যান্য কাঠামোগত সংশোধন বিবেচনা করা হয়ে থাকে। নিশ্চিত না হলেও, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সতর্কতা বিজ্ঞপ্তিতে বিলম্বের আরও একটি কারণ হতে পারে।

POST A COMMENT
Advertisement