
পর পর ২ ম্যাচে হার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে হারের পএ এবার ঘরের মাঠেও ভরাডুবি কলকাতা নাইট রাইডার্সের। বল করতে নেমে ব্যর্থতা কিছুটা ঢেকে দিয়েছেন অনুকুল রয়। না হলে লজ্জা আরও বাড়ত। তবে ৪ উইকেট নিয়েছেন ব্লেসিং মুজারাবানি। এই দুইয়ে মিলিয়েই টার্গেট হয় ২২৭। রাহানে ওয়াংখেড়েতে যে ছন্দে ছিলেন, এদিন তার ধারে কাছেও ছিলেন না।
রান তাড়া করতে নেমে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে ফিন অ্যালেন ঝড়ো সূচনা করেন। অ্যালেন চারটি চার ও দুটি ছক্কার সাহায্যে মাত্র ৭ বলে ২৮ রান করেন। তবে, অ্যালেন তার ইনিংস দীর্ঘায়িত করতে পারেননি এবং হর্ষ দুবের বলে ক্যাচ ও বোল্ড হন। অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানের কাছ থেকে একটি ভালো ইনিংস আশা করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি ১০ বলে মাত্র ৮ রান করতে পারেন। ক্যামেরন গ্রিনও (২ রান) এই ম্যাচে ভালো খেলতে পারেননি এবং রান আউট হন। গ্রিনের আউট হওয়ার সময় কলকাতার স্কোর ছিল ৭৪/৩।
অঙ্গকৃষ্ণ রঘুবংশী ২৭ বলে অর্ধশতক করে দলকে স্থিতিশীল করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে, অর্ধশতক পূর্ণ করার কিছুক্ষণ পরেই রঘুবংশীরান আউট হন। রঘুবংশী ২৯ বলে ৫২ রান করেন, যার মধ্যে ছিল ছয়টি চার ও দুটি ছক্কা। অনুকূল রায় রানের খাতা খুলতে ব্যর্থ হন এবং নীতীশ কুমার রেডিডর বলে আউট হন। এরপর নীতীশ ক্রিজে থিতু হয়ে যাওয়া রিঙ্কু সিংকে (৩৫) আউট করেন।
সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ ৮ উইকেট হারিয়ে ২২৬ রান করে। সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ দারুণ সূচনা করে। ট্র্যাভিস হেড এবং অভিষেক শর্মা মাত্র ৫.৪ ওভারে ৮২ রানের জুটি গড়েন। হেড ছয়টি চার ও তিনটি ছক্কার সাহায্যে ২১ বলে ৪৬ রান করেন। কার্তিক ত্যাগী হেডের উইকেটটি নেন। অধিনায়ক ইশান কিষান তেমন কিছুই করতে পারেননি, ১৪ রান করে ব্রেসিং মুজারাবানির বলে আউট হন। নবম ওভারে মুজারাবানি অভিষেককেও আউট করেন। অভিষেক ২১ বলে ৪৮ রান করেন, যার মধ্যে চারটি ছক্কা ও চারটি চার ছিল। অভিষেকের বিদায়ের সময় হায়দ্রাবাদের স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ১১২ রান।
এই ম্যাচে অনিকেত ভার্মা তেমন কোনো ছাপ ফেলতে পারেননি, অনুকুল রায়ের বলে মাত্র ১ রান করে আউট হন। এরপর হেনরিক ক্লাসেন ও নীতীশ কুমার রেডিড পঞ্চম উইকেটে ৮২ রান যোগ করেন। নীতীশ ২৪ বলে ৩৯ রান করেন, যাতে ছিল চারটি চার ও একটি ছক্কা।
নীতীশ কুমার রেডিডর আউট হওয়ার পর পুরো দায়িত্ব এসে পড়ে হেনরিক ক্লাসেনের ওপর। ক্লাসেন হতাশ করেননি, তিনি একটি অর্ধশতক করেন। ক্লাসেন ৩৫ বলে ৫২ রান করেন, যার মধ্যে ছিল চারটি চার ও একটি ছক্কা। সলিল অরোরা (০ রান) এবং শিভাঙ্গ কুমার (৪ রান) ব্যাট হাতে তেমন কোনো প্রভাব ফেলতে পারেননি। কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন ব্লেসিং মুজারাবানি এবং দুটি উইকেট নেন বৈভব অরোরা।