Protein Intake Time: প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়ার আদর্শ সময় কখন? টিপস পুষ্টিবিদদের

প্রোটিন এমন এক উপাদান, যা প্রত্যেকের জন্য ভীষণভাবে দরকারি। শরীরের প্রয়োজনীয়তা ও শারীরিক কার্যকলাপ অনুযায়ী প্রোটিনের মাত্রা কমানো বাড়ানো হয়। প্রোটিন পাওয়ার জন্য মানুষ তাঁদের খাদ্য তালিকায় নিরামিষ, আমিষ এবং প্রোটিন শেক অন্তর্ভুক্ত করে।

Advertisement
প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়ার আদর্শ সময় কখন? টিপস পুষ্টিবিদদেরপ্রোটিন খাওয়ার সঠিক সময় কখন?
হাইলাইটস
  • প্রোটিন এমন এক উপাদান, যা প্রত্যেকের জন্য ভীষণভাবে দরকারি।

প্রোটিন এমন এক উপাদান, যা প্রত্যেকের জন্য ভীষণভাবে দরকারি। শরীরের প্রয়োজনীয়তা ও শারীরিক কার্যকলাপ অনুযায়ী প্রোটিনের মাত্রা কমানো বাড়ানো হয়। প্রোটিন পাওয়ার জন্য মানুষ তাঁদের খাদ্য তালিকায় নিরামিষ, আমিষ এবং প্রোটিন শেক অন্তর্ভুক্ত করে। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, অনেকেই মনে করেন যে জিমে শরীরচর্চা করার ৩০ মিনিটের মধ্যে একটি প্রোটিন শেক খাওয় উচিত। কিন্তু বিজ্ঞানও কি সেটাই মনে করে? সাম্প্রতিক গবেষণা ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রোটিন গ্রহণের সময়ের চেয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় বিবেচনা করার আছে। 

শরীরচর্চার ৩০ মিনিট পর প্রোটিন গ্রহণ করা কি ঠিক?
দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বাস করা হতো যে, পেশির পুনরুদ্ধার ও বৃদ্ধির জন্য ব্যায়ামের পর প্রোটিন গ্রহণ করা অপরিহার্য। তবে, প্রায় ৩,০০০ প্রাপ্তবয়স্কের উপর করা একটি বৃহৎ সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, পেশি গঠনের জন্য আপনি ব্যায়ামের ঠিক পরেই প্রোটিন গ্রহণ করছেন, নাকি কয়েক ঘণ্টা পরে, তাতে কোনো পার্থক্য হয় না। প্রকৃতপক্ষে, সারাদিন ধরে আপনি আপনার শরীরকে কী পরিমাণ প্রোটিন সরবরাহ করছেন, সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি সারাদিন ধরে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন গ্রহণ করেন, তাহলে পেশির বৃদ্ধি এবং মেরামতও আরও দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়। 

কখন ও কীভাবে প্রোটিন গ্রহণ করবেন?
বিশেষজ্ঞরা বলেন যে, ব্যায়ামের ৩০ মিনিটের মধ্যে প্রোটিন গ্রহণ করা ততটা গুরুত্বপূর্ণ না হলেও, তারা আপনার মোট প্রোটিন গ্রহণকে দৈনিক খাবারের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার পরামর্শ দেন। প্রতিটি খাবারে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ গ্রাম প্রোটিন রাখলে তা আপনার বিপাক ক্রিয়াকে সক্রিয় রাখতে এবং খিদে কমাতে সাহায্য করে। বিশেষ করে যদি আপনি খালি পেটে ব্যায়াম করে থাকেন, তবে শরীর পুনরুদ্ধারের জন্য ব্যায়ামের ১-২ ঘণ্টার মধ্যে প্রোটিন গ্রহণ করা উপকারী বলে মনে করা হয়।

৪০ ও তার বেশি বয়স
তরুণদের তুলনায়, যাঁদের বয়স ৪০ বা তার বেশি, তাদের জন্য প্রোটিন গ্রহণের সময় বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে, তাই সকালের ব্রেকফাস্টে এবং দুপুরের খাবারে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন গ্রহণ করা উপকারী। ঘুমোনোর আগে ধীরে হজম হয়, এমন প্রোটিন (যেমন দুধ বা কটেজ চিজ) গ্রহণ করলে তা পেশি পুনরুদ্ধারেও সাহায্য করতে পারে। 

Advertisement

প্রোটিনের পরিমাণ নাকি সময়?
বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রচলিত ধারণার পিছনে দৌড়ানোর চেয়ে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় মোট প্রোটিনের পরিমাণের উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত।  আপনার ওজন এবং শারীরিক কার্যকলাপের মাত্রার উপর ভিত্তি করে প্রোটিন গ্রহণের পরিমাণ নির্ধারণ করুন এবং তা পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করুন। গুণগত মানের জন্য চর্বিহীন মাংস, দুগ্ধজাত পণ্য, ডিম এবং ডালকে ডায়েটে রাখুন। 

POST A COMMENT
Advertisement