JOKESHasir Jokes: হাসতে থাকলে ইতিবাচক পরিবেশ বজায় থাকে। একজন মানুষ যখন স্ট্রেস থেকে দূরে থাকে, তখন মানসিক রোগও কাছে আসে না। খিলখিল করে হাসাকে বলা হয় সুস্বাস্থ্যের রহস্য। চলুন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল জোকস পড়া যাক।
> ইংরেজি পরীক্ষা ছিল কোচিংয়ে! সুমনের যেতে রীতিমতো দেরি হলো! ফলে তাকে বসতে হলো মেয়েদের পেছনে! হঠাৎ তার সামনের মেয়েটি তার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করলো—
মেয়ে: এই, স্বার্থপরের ইংরেজি কী হবে?
সুমন: জানি, কিন্তু বলব না।
মেয়ে: তুমি একটা সেলফিস!
> সকাল বেলায় অফিসের বসকে ফোন করেছে আরিফ—
আরিফ: স্যার, আজকে আমার শরীরটা খুব খারাপ। অফিসে আসতে পারব না।
বস: বল কি, শরীর খারাপ?
আরিফ: হ্যাঁ স্যার।
বস: শরীর খারাপ থাকলে আমি কী করি জানো? আমার প্রেমিকার সঙ্গে রিকশায় ঘুরে বেড়াই, বেশ ভালো লাগে। তুমিও চেষ্টা করে দেখতে পারো।
কিছুক্ষণ পর বসকে ফোন করলেন আরিফ। বললেন, ‘স্যার, আপনার বুদ্ধিটা বেশ কাজে লেগেছে। রিকশায় ঘুরে খুব ভালো লাগছে। আপনার প্রেমিকাও বেশ স্মার্ট, রিকশা ভাড়াটাও সে দেবে বলেছে!’
> পিন্টু তার বন্ধু সেন্টুকে একদিন বলছে—
পিন্টু: জানিস, লিপি আমার হৃদয় ভেঙে দিয়েছে। কিন্তু আমার চেয়ে ও বেশি কেঁদেছে।
রিন্টু: কেন?
পিন্টু: কারণ, প্রতিবাদস্বরূপ আমি ওর নতুন আইফোনটা ভেঙে দিয়েছি।
> স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়... সারাদিন চুপ থাকার পর
স্ত্রী স্বামীর কাছে এসে বলল- এভাবে ঝগড়া করার পর আমার ভালো লাগছে না,
চল এক কাজ করি, তুমি একটু আপস করো, আমিও একটু করি।
স্বামী- আচ্ছা, কী করব?
স্ত্রী- তুমি আমার কাছে ক্ষমা চাও, আর আমি তোমাকে ক্ষমা করি।
> ছেলেটি মেয়েটিকে বলল, ডার্লিং, তোমার চোখে আমি পুরো পৃথিবী দেখতে পাচ্ছি। একজন বৃদ্ধ পেছন থেকে বললেন , আমাদের গরু পাওয়া যাচ্ছে না, যদি দেখেন তাহলে বলবেন ছেলে।
> এখন সে দিন বেশি দূরে নয় যখন স্বামী-স্ত্রীর ডিজিটাল লড়াই হবে এরকম
স্ত্রী-জানি না কোন সময়ে তোমার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট অ্যাকসেপ্ট করেছিলাম।
স্বামী- আমার মাথা কাজ করছিল না যে তোমার ডিপিকে নাইস বলেছিলাম।
স্ত্রী- আমার বুদ্ধিও লোপ পেয়েছিল, যে তোমার ছবিতে হ্যান্ডসাম কমেন্ট করেছিলাম।
স্বামী- সেই সময় তোমাকে আনফ্রেন্ড করলে ভালো হতো।
স্ত্রী- আমিও যদি তোমাকে ব্লক করতাম তাহলে এই দিন দেখতে হতো না।
( Disclaimer: এখানে দেওয়া কৌতুকগুলি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ভাইরাল হওয়া বিষয়বস্তু থেকে নেওয়া হয়েছে৷ আমাদের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র মানুষকে বিনোদন দেওয়া৷ আমাদের উদ্দেশ্য কোনও জাতি, ধর্ম, নাম বা বর্ণের ভিত্তিতে কাউকে হেয় করা বা উপহাস করা নয়।)