CBSE New Promotion Rule: কীভাবে পাশ-ফেল নির্ধারিত হবে? ২০২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে CBSE-তে নতুন নিয়ম

CBSE New Promotion Rule: শিক্ষাবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ৩৩ শতাংশ নম্বর পাওয়ার যে ন্যূনতম মাপকাঠি, তা কিন্তু বদলাচ্ছে না। বিষয়ভিত্তিক এবং সামগ্রিকভাবে ৩৩ শতাংশ নম্বর না পেলে কাউকেই পাশ করানো হবে না। তবে সুবিধাটা অন্য জায়গায়।

Advertisement
কীভাবে পাশ-ফেল নির্ধারিত হবে? ২০২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে CBSE-তে নতুন নিয়মসিবিএসই পরীক্ষায় নতুন ভাবে মূল্যায়ণ

CBSE New Promotion Rule: পরীক্ষা মানেই কি ফেলের আতঙ্ক? অন্তত সিবিএসই বোর্ডের পড়ুয়াদের জন্য সেই ভয় এবার অনেকটাই কমতে চলেছে। ২০২৬ সাল থেকে দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় বড়সড় রদবদল আনছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা বোর্ড (CBSE)। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এখন থেকে ছাত্রছাত্রীদের ভাগ্যের ফয়সালা কেবল একবারের পরীক্ষাতেই আটকে থাকবে না। বছরে দুবার বোর্ড পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাবে পড়ুয়ারা।

বোর্ড সূত্রে খবর, কোনও পড়ুয়া যদি প্রথম দফার পরীক্ষায় কোনও বিষয়ে আশানুরূপ ফল করতে না পারে, তবে দ্বিতীয় দফার পরীক্ষায় সেই খামতি মিটিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকছে। অর্থাৎ, ফেল করার ঝুঁকি কমাতে ‘দ্বিতীয় সুযোগ’ দিচ্ছে বোর্ড। তবে কি পাশ করা এখন একবারে জলভাত? শিক্ষাবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ৩৩ শতাংশ নম্বর পাওয়ার যে ন্যূনতম মাপকাঠি, তা কিন্তু বদলাচ্ছে না। বিষয়ভিত্তিক এবং সামগ্রিকভাবে ৩৩ শতাংশ নম্বর না পেলে কাউকেই পাশ করানো হবে না। তবে সুবিধাটা অন্য জায়গায়। আগে যেখানে একবার ফেল করলে সারা বছর বসে থাকতে হতো, এখন সেখানে দ্বিতীয় পরীক্ষা বা কম্পার্টমেন্টালের হাত ধরে দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানো যাবে।

নতুন ব্যবস্থা অনুযায়ী, ছাত্ররা একবার নয়, একাধিকবার এবং একাধিক পদ্ধতিতে সুযোগ পাবে। দশম শ্রেণিতে প্রথম পরীক্ষার পর দ্বিতীয় পরীক্ষাও হবে, যা ফল সংশোধনের সুযোগ দেবে। পুরনো নিয়ম অনুযায়ীও ফেল মানেই সব শেষ নয়; দু-একটি বিষয়ে কম নম্বর পেলে কম্পার্টমেন্টাল পরীক্ষা বা প্রয়োজনে পুনর্মূল্যায়নের বিকল্প ছিল।

কীভাবে পাশ করা যাবে?
১. দশম শ্রেণিতে প্রথম পরীক্ষার পর দ্বিতীয় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ মিলবে এবং তার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত ফলাফল নির্ধারিত হবে।
২.যদি ছাত্র ১ বা ২টি বিষয়ে দুর্বল হয়, তবে কম্পার্টমেন্টাল পরীক্ষা পাশের রাস্তা হতে পারে।
৩. যদি খুব কম নম্বরের জন্য ফেল হয়, তবে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ বা পুনর্মূল্যায়নের বিকল্প থাকবে।
৪. কিছু রিপোর্ট অনুযায়ী, একটি বিষয়ে ফেল করা ছাত্রদেরও সুযোগ দেওয়া হচ্ছে এবং পরবর্তী মূল বোর্ড পরীক্ষা পর্যন্ত সংশোধনের পথ খোলা থাকছে।

Advertisement

ন্যূনতম পাশের নম্বর
সিবিএসই-তে পাশের সাধারণ মানদণ্ড হলো ৩৩ শতাংশ। অর্থাৎ বিষয়ভিত্তিক এবং সামগ্রিকভাবে এই নম্বর পেতেই হবে। যদি ছাত্র এই সীমায় না পৌঁছায়, তবে তাকে ‘ফেল’ ধরা হতে পারে, কিন্তু তারপরেও বিকল্প কাজে লাগিয়ে পাশ করা যেতে পারে।

২০২৬ এর নিয়ম
২০২৬ সাল থেকে দশম শ্রেণির পরীক্ষা ব্যবস্থায় বড় বদল আসছে, যেখানে বছরে দুবার বোর্ড পরীক্ষা হবে। প্রথম পরীক্ষাটি বাধ্যতামূলক এবং দ্বিতীয় পরীক্ষাটি ফল সংশোধনের সুযোগ দেবে। এর মানে এই নয় যে ছাত্রকে সবসময় পাশ করিয়ে দেওয়া হবে; কিন্তু ফেল করার পরিস্থিতিতেও সে একটি অতিরিক্ত সুযোগ পাবে।

ধরা যাক, কোনও ছাত্র প্রথম পরীক্ষায় ৩টি বিষয়ে ৩৩ শতাংশের কম নম্বর পেল। সে ক্ষেত্রে সে ফেল হিসেবে গণ্য হবে। কিন্তু সমস্যা যদি কেবল একটি বা দুটি বিষয়ে হয়, তবে কম্পার্টমেন্টাল বা দ্বিতীয় পরীক্ষার মাধ্যমে পাশ করা সম্ভব। আর যদি ফল অত্যন্ত খারাপ হয়, তবে পরবর্তী মূল পরীক্ষা বা রি-অ্যাটেম্পট করাই একমাত্র রাস্তা।

সিবিএসই-তে ফেল করা সম্ভব, কিন্তু নতুন পদ্ধতিতে ছাত্রদের কাছে পাশ করার অনেক রকম বিকল্প সুযোগ থাকবে। ৩৩ শতাংশ নম্বর পাওয়াটা আবশ্যিক, তবে দ্বিতীয় পরীক্ষা ও কম্পার্টমেন্টালের মতো বিকল্পগুলো মনে রাখা জরুরি।

 

POST A COMMENT
Advertisement